২০১৯ সালের একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ ৮৫ দিন ছুটি

প্রকাশিত: 4:57 PM, November 25, 2018

২০১৯ সালের একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ ৮৫ দিন ছুটি

ডেস্ক প্রতিবেদন
সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ২০১৯ শিাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিাপঞ্জি (একাডেমিক ক্যালেন্ডার) অনুমোদন করেছে শিা মন্ত্রণালয়।

রোববার শিা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিা অধিদপ্তর আগামী শিাবর্ষের এই ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে।
এতে বিভিন্ন পর্বে ৮২ দিন এবং প্রধান শিকের সংরতি তিন দিনসহ মোট ৮৫ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এছাড়া, শিাপঞ্জিতে কাস-পরীা ও ফল প্রকাশের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুমোদিত এই একাডেমিক ক্যালেন্ডারে বিদ্যালয়ে সংবর্ধনা বা পরিদর্শন উপলে কাস বন্ধ না করার পাশাপাশি শিার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করাতে নিষেধ করা হয়েছে।

একাডেমিক ক্যালেন্ডারে বলা হয়েছে, শিাবর্ষ হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর। প্রথম কর্মদিবস অর্থাৎ ১ জানুয়ারি পাঠ্যপুস্তক দিবস হিসেবে উদযাপিত হবে। আগামী বছরের ২২ জুন থেকে ৪ জুলাই (১২ দিন) অর্ধ-বার্ষিক/প্রাক নির্বাচনী পরীা এবং ২০ জুলাই ফল প্রকাশ, নির্বাচনী পরীা ১৪ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর (১২ দিন) এবং ফলাফল প্রকাশ ৭ নভেম্বর। বার্ষিক পরীা ২৭ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর (১২ দিন) গ্রহণ করে ৩০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশের দিন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

একাডেমিক ক্যালেন্ডারে আরো বলা হয়েছে, প্রতিটি শিাপ্রতিষ্ঠান শিার গুণগত মান বাড়াতে পরীার সময়সূচি মোতাবেক অর্ধবার্ষিক পরীা, নির্বাচনী পরীা ও বার্ষিক পরীা গ্রহণ নিশ্চিত করবে। বার্ষিক পরীার উত্তরপত্র অন্তত এক বছর সংরণ করতে হবে। প্রতি পরীার সময়কাল ১৪ দিনের বেশি হবে না।

নিজ নিজ বিদ্যালয় পরীার প্রশ্নপত্র (পাবলিক পরীা ছাড়া) নিজেরাই প্রণয়ন করবে। কোনো অবস্থাতেই বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র কিনে পরীা নেওয়া যাবে না।

পরীার নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে কোনো বিশেষ কারণে পরীার তারিখ পরিবর্তন করতে হলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিা অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি নিতে হবে।
উল্লেখযোগ্য ছুটির মধ্যে রয়েছে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, রমজান, বুদ্ধ পূর্ণিমা, জুমাতুল বিদা, শবে বরাত ও ঈদুল ফিতর উপলে ৬ মে থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত ৩৪ দিন। ঈদুল আজহা, জাতীয় শোক দিবস উপলে ৮ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট ১০ দিন; দুর্গাপূজা, প্রবারণা পূর্ণিমা ও শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজা উপলে ৪ অক্টোবর হতে ১৩ অক্টোবর ৮ দিন এবং শীতকালীন অবকাশ, বিজয় দিবস, যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন বা বড়দিন উপলে ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর ১৩ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

আরো বলা হয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ছাড়া বছরে মোট ছুটি ৮৫ দিন। সরকার যেসব দিনকে সাধারণ ছুটি (পাবলিক হলিডে) এবং নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি বলে ঘোষণা করা হবে সেসব দিন উক্ত ৮৫ দিনের অন্তর্ভুক্ত হবে।

কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন উপলে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না এবং সংবর্ধনা/পরিদর্শন উপলে শিার্থীদের কাস বন্ধ করা যাবে না। সংবর্ধিত/পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না।
ছুটিকালীন অনুষ্ঠেয় ভর্তি/অন্য পরীা অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যালয় খোলা রাখতে হবে।

উপবৃত্তি, ভর্তি পরীা, প্রাথমিক শিা সমাপনী পরীা/জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীা ইত্যাদি প্রয়োজনে বিদ্যালয় খোলা রাখতে হবে। জেএসসি/এসএসসি পরীার সময় পরীাকেন্দ্র ছাড়া অন্য বিদ্যালয়গুলো যথারীতি শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।

প্রত্যেক বিদ্যালয় দৈনিক পাঠ বিবরণী নামে ডায়েরি ছাপাতে হবে এবং শিার্থীদের মধ্যে তা বিলি করতে হবে। এ ডায়েরিতে ছাত্রছাত্রীর পরিচিতি, অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ, ছাত্রছাত্রীদের আচরণবিধি, শিকদের নাম ও শিাগত যোগ্যতা, ধর্মীয় ও নৈতিক শিার জরুরি নির্দেশনাবলী, ছুটির তালিকা এবং কাস রুটিন (এতে প্রতিদিন অভিভাবকের স্বার নিতে হবে) অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস যথা: ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৭ মার্চ, ২৬ মার্চ, ১৫ আগস্ট ও ১৬ ডিসেম্বর কাস বন্ধ থাকবে। তবে সংশ্লিষ্ট দিবসের বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিদ্যালয়ে দিবসটি উদযাপন করতে হবে।
প্রতিটি বিদ্যালয়ে সরকার ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ দিবস ও শিা সপ্তাহ পালন করতে হবে।

  •  

সর্বশেষ ২৪ খবর