‘উন্নয়নের গণতন্ত্র, শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র’ লেখা বন্ধের দাবি ঐক্যফ্রন্টের

প্রকাশিত: 5:24 PM, November 26, 2018

‘উন্নয়নের গণতন্ত্র, শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র’ লেখা বন্ধের দাবি ঐক্যফ্রন্টের

ডেস্ক প্রতিবেদন
নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারি চিঠি থেকে ‘উন্নয়নের গণতন্ত্র, শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র’ এই লেখা শ্লোগান বাদ দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অনুরোধ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। চিঠিতে স্বার করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে সোমবার দুপুরে এ সংক্রান্ত চিঠি দেন বিএনপির বিজন কান্তি সরকার।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের বিভিন্ন চিঠি পত্রে একটি কমন স্লোগান রাখা হচ্ছে। আগে যেমন পরিবার পরিল্পনার বিষয়ে একটি কমন স্লোগান থাকতো যেমন- ‘ছেলে হোক, মেয়ে হোক দুইটি সন্তানই যথেষ্ট’। বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্যাডের উপর এই স্লোগানগুলো আছে- ‘উন্নয়নের গণতন্ত্র, শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র’।

একই শ্লোগান সরকারি দপ্তর থেকে যে চিঠিগুলো দেয়া হয়, সেই চিঠিগুলোতেও এই স্লোগান সম্বলিত সিল মারা হচ্ছে। আবার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সরকারি প্যাডের উপর এই স্লোগানটি টাইপ করা আছে। নির্বাচনের এই সময়ে আমরা এগুলোকে পরিহার করতে বলেছি।
তিনি বলেন, পুলিশ এখনো প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তারা কি করে, তাদের ছেলে মেয়েরা কি করে, আত্মীয়রা কি করে তার খোঁজ নিচ্ছে। এতে তারা বিব্রত হচ্ছে ও ভয় পাচ্ছে। অনেকে এই দায়িত্ব থেকে তাদেরকে অব্যাহতি দিতে বলছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের মনে হয় তারা (ইসি) তালিকাটি চূড়ান্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে। পুলিশ এ তালিকা সংগ্রহ করার েেত্র সরকারের হয়ে পপাতমূলক কাজ করছে। ফলে আমরা চাই এই তালিকা যেনো পুনর্র্নিধারণ করে নিরপে কর্মকর্তাদের এই দায়িত্ব দেয়া হোক এবং আগামী ১০ তারিখের আগে যেনো এই তালিকা চূড়ান্ত করা না হয়। তালিকা চূড়ান্ত করার পর যেনো তা প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে দেন।

এছাড়া ব্যাংকগুলোর করপোরেট সোসাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) ফান্ড থেকে গরীবদের মাঝে কম্বল বিতরণের চেষ্টা করা হয়। এখন এ কম্বলগুলো এমপিদের মাধ্যমে বিতরণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গরীব মানুষেরা কম্বল না পাক এটা আমরা চাই না। তবে আমরা চাই এমপিরা বিতরণ না করে এগুলো ব্যাংকের কর্মকর্তারা বিতরণ করেন এবং স্থানীয় নেতারা এতে সম্পৃক্ত না থাকেন।

ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা চাই কোনোভাবেই যেনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না হয়। এটি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত হলেও আমরা চাইবো নির্বাচন কমিশন যেনো এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর