জৈন্তাপুর সীমান্তে মন্ত্রীর নির্দেশের পরও বন্ধ হচ্ছে না চোরাচালান! বেন্ডিস করিম, রুবেলও জামালের নেতৃত্বে চোরাচালানের মহোৎসব

প্রকাশিত: 11:53 PM, November 2, 2020

জৈন্তাপুর সীমান্তে মন্ত্রীর নির্দেশের পরও বন্ধ হচ্ছে না চোরাচালান! বেন্ডিস করিম, রুবেলও জামালের নেতৃত্বে চোরাচালানের মহোৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-সিলেটের সীমন্তবর্তী এলাকা দিয়ে চোরাকারবারিরা যাতে আমার দেশের মালামাল রপ্তানি করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সেই সাথে চোরাকারবারিদের ধরতে বর্ডারের দিকে নজর রাখতে হবে। এতে কমিউনিটি পুলিশের ভূমিকা সবচেয়ে জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। এছাড়া প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি সিলেটের প্রতিটি অনুষ্টানে সীমান্ত চেরাচালান বন্ধের প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। জৈন্তাপুর সীমান্তে চোরাচালান নিয়ে তিনি কঠোর সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন আমার দেশের পণ্য কেনো ভারতে পাচার হবে। আমরা আমাদের দেশের চাহিদা অনুযায়ী মটরশুটি সহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য বিদেশ থেকে আমদানী করে ভূর্তকি দিয়ে বাজারজাত করি শুধু দেশের মানুষের জন্য। মটরশুটি সহ বাংলাদেশী পণ্য পাচাররোধে প্রশাসন’র পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। চোরাচালান রোধে পুলিশ সহ সীমান্তে নিয়োজিত বিজিবিকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। কিন্তু চোরাই চক্রের চাঁদাবাজরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। মন্ত্রীর এই সকল নির্দেশের তোয়াক্কা না করেই বিজিবি-পুলিশের অবৈধ টাকার লাইনম্যান আলোচিত বেন্ডিস করিম ও তার ভাগিনা রুবেল এবং লাইনম্যান জামাল আহমদ এর নেতৃত্বে টাকার বিনিময় চোরাকারবারীরা প্রতিদিন রাতের আধাঁরে ভারত থেকে দেশে নিয়ে আসছে সকল ধরণের অবৈধ পণ্য। দেশ থেকে ভারতে যাচ্ছে দেশের সম্পদ মটরশুটি। জৈন্তাপুর সীমান্তের চোরাই চক্রের গডফাদার আলোচিত বিজিবি-পুলিশের লাইনম্যান বেন্ডিস করিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পিন্ট পত্রিকাও অনলাইন নিউজ পোর্টালে একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিদায় তার চক্রের সদস্যদের সংখা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চোরাই বাহিনীর খুঁটির জোর কোথায়? মন্ত্রীর নির্দেশকেও কোন তোয়াক্কা করছে না। এ নিয়ে উপজেলাবাসীর মধ্যে চলছে নানাবিধ সমালোচনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন রাতে পুলিশ-বিজিবির লাইনম্যান বেন্ডিস করিম, রুবেল ও জামালের নেতৃত্বে উপজেলার ঘিলাতৈল, কদম খালপানি ও রাংপানি সীমান্তে দিয়ে ভারতে তাদের নিজেদের পণ্য মটরশুটি পাচার করেন। অন্যদিকে দেশে আসছে কসমেটিকস-গরুসহ নানান অবৈধ ভারতীয় পন্য । কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না জৈন্তাপুর সীমান্তে চোরাচালান। লাইনম্যান বেন্ডিস করিম, রুবেল ও জামাল স্থানীয় প্রশাসনের নামে প্রতিদিন চোরাকারবারীদের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে। লাইনম্যান জামাল প্রথমে পুলিশের নিকট থেকে তিনি করিম-রুবেলকে বাদ দিয়ে একাই দায়িত্ব নিয়ে ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে রুবেল পুলিশের সাথে আলাপ করে ফের দায়িত্ব পান এবং জামালকে সাথে নিয়ে কাজ করার কথা বলেন। রহস্যজনক কারণে স্থানীয় প্রশাসন এই চোরাই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কোন ধরণের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। মন্ত্রীর নির্দেশও আমলে নিচ্ছে না প্রশাসন। এ নিয়ে উপজেলার সর্বমহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর