নগদ নারায়ণে বিশ্বাসীদের চক্ষুশূূল মেয়র আরিফ

প্রকাশিত: 3:12 PM, December 27, 2019

নগদ নারায়ণে বিশ্বাসীদের চক্ষুশূূল মেয়র আরিফ

নিজস্ব প্রতিবেদন :
সিলেট নগরীতে অবকাঠামোগত উন্নয়নে হার মেনেছে অতীতের সকল রেকর্ড । উন্নত মানের ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট প্রশস্থকরণ, সিটি কর্পোরেশনের ভূমি উদ্ধার,জলাবদ্ধতা নিরসনে খালনালা উদ্ধার ও খনন পুরোদমে চলছে। চলছে আধুনিক নগর গঠনে উন্নতমানের ভূগর্ভস্থ বিদ্যুতায়ন।আইনশৃৃংখলা রক্ষায় নগরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনয়ন, ডিজিলাইজেশন, পানি সরবরাহেন উন্নয়ন, অবৈধ পানির লাইন বিচ্ছন্নকরণ,রাস্তাঘাট মেরামত প্রভৃতি কোন কাজে গাফিলতি নেই সিটি
কর্পেরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর। নগরকে যানজট ও হকারমমুক্তয় করতে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন রাতদিন। এতে করে সিলেটের আদি বসিন্দাদের সন জয় করতে পারলেও মন কুড়াতে পারছেন না ‘নগদ নারায়ণে বিশ্বাসী’ এক শ্রেণির মানুষের। মন জয় করতে পারছেন না একশ্রেণির নামধারী সাংবাদিক ও পুলিশের। কারণ তাদের অবৈধ আয়ের উৎসে আঘাত পড়ছে মেয়র আরিফের এসব উন্নয়ন ও কার্যক্রম।
সিলেট নগরীতে বসবাসরত মানুষের শতকরা ৭৫ ভাগ ভাড়াটিয়া ও কামাইয়ের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে আগত। তাদের উদ্দেশ্যই নগদ লাভ। যা পারে নিজপুরিতে নিয়ে যেতে এটাই তাদের কামনা ও বাসনা। তাই অবৈধ ব্যবসা বানিজ্য ও কর্মকান্ডই ওই শ্রেণির মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। তারা চায় বহাল থাকুক হকার ব্যবসা। কারন ফুটপাতের অঘোষিত লীজ ও হকারদের দৈনন্দিন চাঁদা তাদের আয়ের একটি বিরাট অংশ। নগরজুড়ে অবৈধ স্ট্যান্ড না থাকলে আয় নেই অনেক পরিবারের। কারণ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অবাঁধে ঢুকে পড়া সিএনজি অটোরিক্সা, ইমা লেগুনা ও কার লাইটেস থেকে নিয়মিত বখরা আদায় তাদের আয়ের আরেক উৎস। মেয়র কোন কাজে আত্মসাত করেন না। তাই সাংবাদিক নামধারীদের মূখ ও কলম বন্ধ করতে তাদেরকে মাসোহারা ও সম্মানী দেন না, দেন না ঈদ ও বিভিন্ন পর্বের বোনাস ও দেন না কোরবাণীর গোশত নামে ঘুষ। দেন না সৌজন্য বিজ্ঞাপন নামে চাঁদা । সাংবাদিকদের প্রেসক্লাবের স্থায়ী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজ করলেও নগদনারায়ণ থেকে থাকেন সাংবাদিক নামধারীরা বঞ্চিত। কারণ অতীতে অনেক সাংবাদিক প্রতিমাসে নিয়মিত বখশিস পেতেন নগর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। পেতেন অনেকে বাসাভাড়া পর্যন্ত। কিন্তু এখন তা মিলছে না, তাই তারা চরম ক্ষুব্ধ মেয়র আরিফের উপর। মেয়র আরিফ সম্প্রতি জনস্বার্থে ‘নগর পরিবহণ’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে করে অবৈধ রিক্সা ও গেরেজ ব্যবসায় ভাটা পড়বে বিধায় এ উদ্যোগেরও বিরোধীতায় এক শ্রেণির স্বার্থপর মানুষ। কারণ প্রতিটি অবৈধ স্ট্যান্ড থেকে চাঁদাবাজ, পুলিশ ও এক শ্রেণির নামধারী সাংবাদিক নিয়মিত বখরা পেয়ে থাকেন। তাই স্ট্যান্ড উচ্ছেদেরও বিরোধী ওই স্বার্থান্বেষী মহল। বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের অনৈতিক ব্যবসা থেকেও পুলিশ এবং এক শ্রেণির মিডিয়া কর্মীরা লাভবান হয়ে থাকেন। কিন্তু মেয়র আরিফ নিজেই এসব হোটেল মোটেলে অভিযান পরিচালনা করে বসেন। তাই তার প্রতি ক্ষুব্ধ মাসোহারা ও বখরাখোর ওই শ্রেণির মানুষজন। অতীতে টুপাইস দিয়ে ইচ্ছেমত বিল্ডিং নির্মাণ করতে পারলেও এখন তা করতে পারছেন না বলে অনেক ধনবান এবং বিত্তশালীরাও তার উপর ক্ষুব্ধ। সব মিলিয়ে নগদনারায়ণে বিশ্বাসী শ্রেণির মানুষের চক্ষুশূল মেয়র আরিফ। তাই অনেক সময় তাল’কে তিল এবং তিল’কে তাল বানিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়ে থাকে মেয়র আরিফের বিরুদ্ধে।

  •  

সর্বশেষ ২৪ খবর