ভোটের নিরাপত্তায় ১ লাখ ৭৫ হাজার পুলিশ

প্রকাশিত: 3:00 PM, December 29, 2018

ভোটের নিরাপত্তায় ১ লাখ ৭৫ হাজার পুলিশ

ডেস্ক প্রতিবেদন
রাত পোহালেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার পুলিশ সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।

সূত্র জানায়, নির্বাচনে প্রার্থী, ভোটার, প্রিজাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসারসহ প্রত্যেককে নিরাপত্তা দিতে নির্বাচনী ছক তৈরি করেছে পুলিশ। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে পুলিশ সদস্যরা নিজেদের ও অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও আনসার সদস্যরা মাঠে থাকলেও নিরাপত্তার মূল দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ বাহিনী।

সারা দেশের বিভাগীয় রেঞ্জের পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ও জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি) নিয়ে রাজধানী ঢাকায় বৈঠক করেছেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন্স) আনোয়ার হোসেন বলেন, সারা দেশে নির্বাচনের আগে এবং পরে প্রায় পৌনে ২ লাখ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। তাদের অনেকে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা মাঠে কাজ করবেন, কেউ দুই শিফটে ১৮ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন। আবার কাউকে এর চেয়ে বেশি সময় দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বিজিবি, র্যাব, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দেবেন। সেনাবাহিনীর প্রতিটি টিমের সঙ্গে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৪ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ একজন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের দু-একজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৫ জন ও অস্ত্রসহ তিন-চারজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্য থাকবেন ন্যূনতম দুজন।

অপরদিকে, পার্বত্য এলাকা, হাওর, দ্বীপাঞ্চলকে বিশেষ এলাকা চিহ্নিত করে সেসব এলাকায় পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৫ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ দুজন, আনসার ১২ জন (অস্ত্রছাড়া) ও গ্রাম পুলিশের এক থেকে দুজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৬ জন ও অস্ত্রসহ ৪-৫ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্য থাকবেন ন্যূনতম তিনজন।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর