লক্ষীপাশা ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত: 8:17 PM, January 31, 2020

লক্ষীপাশা ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে প্রতিবাদ সভা

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি :: গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়ন পরিষদে ৯টি ওয়ার্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বলেন, লক্ষীপাশা ইউনিয়ন পরিষদের কম্বল বিতরণ নিয়ে একশ্রেণির কথিত সাংবাদিক মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে এবং পরে তা ফেইসবুকে শেয়ার বা পোষ্ট দিয়ে ইউনিয়নের সম্মান ক্ষুন্ন করে চলেছে। সভায় বক্তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মক্তিযোদ্ধা এবং বর্তমানসহ ৩বারের চেয়ারম্যান কবির আহমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচারের নিন্দা জানান। সভায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যানসহ সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রতিবাদ জানিয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কবির আহমদ (মুসন)সহ সদস্যরা পৃথক বিবৃতি দেন।

.
এসময় তারা বলেন, কিছুদিন থেকে সাংবাদিক নামধারী কয়েক ব্যাক্তি তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে লক্ষীপাশা ইউনিয়নের ৪৬০টি কম্বল উধাও হয়েছে শীর্ষক বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছে। পরে সেসব সংবাদ ফেইসবুকে শেয়ার ও পোষ্ট দিয়েছে। এধরণে নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার গোলাপগঞ্জের মানুষ কখনো দেখেনি উল্লেখ করে তারা বলেন, উপজেলা থেকে ৪৬০টি কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। তারা লিখেছে ৪৬০টি কম্বল উধাও হয়েছে। অথচ কম্বল গুলো তখনো ইউনিয়নের গুদামেই ছিল।
তারা বলেন, সাংবাদিকতার নামে এধরণের নির্লজ্জ মিথ্যাচার সাংবাদিকতার নীতি-আদর্শ এবং দায়িত্ব ও কর্তব্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। তারা সংবাদপত্রের মহান দায়িত্ব থেকে একে চরিত্রহরণ এবং ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধারের অস্ত্রে পরিণত করেছে। এধরণের সংবাদ প্রচারের খবর পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কবির আহমদ মুসন গত ১৫ জানুয়ারি গোলাপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়রি করেন।

.
তারা বলেন, ইউনিয়নের বরাদ্দ পাওয়ার পর চেয়াম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধ কবির আহমদ মুসন অত্যস্ত সুশৃঙ্খল ভাবে কম্বল বিতরণ করেছেন। প্রতি ওয়ার্ড সদস্যকে তার ওয়ার্ডের গরিব দুস্থদের মধ্যে বিতরণের জন্য ২০টি করে, মহিলা সদ্যসদের ১০টি করে এবং চেয়ারম্যান নিজে বিতরণের জন্য ৫০টি বরাদ্দ করেন। বাকি কম্বল ইউনিয়নের অবস্থিত মাদরাসার লিল্লাহ বর্ডি, এতিমখানার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। একথা তিনি জানানোর পরও তারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে চলেছে।
জানানো হয়, স্থানীয় শাকিল আহমদ শিপু কিছুদিন পূর্বে সাংবাদিক নামধারী শাকিব আল মামুন, জয় রায় হিমেল, আলী হোসেনসহ কয়েকজনকে নিয়ে ইউনিয়নে এসে নিজের বয়স বাড়িয়ে জন্ম নিবন্ধন নিতে চাইলে ইউনিয়ন থেকে তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। এসময় তারা হুমকী ধমকি দিয়ে যায়। এর পর থেকেই এই মিথ্যাচার শুরু হয়েছে। জড়িতরা অবিলম্বে নিঃশ^র্থ ক্ষমা না চাইলে আইনের আশ্রয় নিয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কবির আহমদ মুসন, বিশিষ্ট মুরব্বি আব্দুল হাই চৌধুরী, নুরুল ইসলাম, আব্দুল কাদির, মাহতাব উদ্দিন জেবুল, আব্দুল কাদির মাস্টার, জিতু মিয়া, ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান, জামিল আহমদ, দিলাল আহমদ, রুহেল আহমদ, আতিকুর রহমান চৌধুরী, আব্দুল করিম মানিক, তারেক আহমদ, ইসমাইল আলী, শিমু বেগম, তাসলিমা খাতুন, অমৃতা খানম, মুরব্বি আরিফ আহমদ মজনু প্রমুখ।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর