ঢাকা ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:৫২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
বিজয়ের কণ্ঠ ডেস্ক
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিট। সিলেট সিটি করপোরেশনের মূল গেট দিয়ে ঢুকতেই দেখা গেল, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের একটি দল কাজের জন্য নগর ভবন থেকে বের হচ্ছেন। সামান্য এগিয়ে নগর ভবনের প্রবেশদ্বারে দেখা গেল, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বসে আছেন।
আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বুধবার সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব বুঝে নিয়ে যোগদান করেন। বৃহস্পতিবার তিনি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য সকালে নগর ভবনের প্রবেশদ্বারে বসে ছিলেন।
নতুন প্রশাসককে নগর ভবনের ফটকে বসে থাকতে দেখে কর্মক্ষেত্রে আসতে থাকা বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবাক হন। অনেকে সালাম দিয়ে কাজে চলে যান, অনেকে প্রশাসকের পেছনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার হাজির হন। পরে তিনি প্রশাসকের পাশে আরেকটি চেয়ারে বসেন।
সকাল ৯টার পর নগর ভবনে যেসব কর্মকর্তা–কর্মচারী ঢুকছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রমজান মাসে সকাল ৯টায় অফিসে উপস্থিতির কথা বলেন।
পরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী তাঁর কার্যালয়ে যান। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে তিনি নিজের কার্যালয় থেকে বের হয়ে নগর ভবনের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন শুরু করেন। বাজার শাখা, পানি শাখা, প্রকৌশল শাখা, স্বাস্থ্য শাখা পরিদর্শনকালে তিনি কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুপস্থিতি দেখতে পান। তিনি অনুপস্থিতদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নিজ কার্যালয়ে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রমজান মাসে সকাল ৯টায় কার্যালয়ে উপস্থিতি দরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও সকাল ৯টায় কার্যালয়ে গিয়ে কাজ করছেন।
কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিটি শাখায় গিয়ে উপস্থিতি খুব একটা পাইনি। তবে আমরা প্রত্যেক বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করে একটি নির্দেশনা দিয়েছি। প্রথম দিন হিসেবে বিষয়টি সিরিয়াসলি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে একটি মেসেজ দিলাম। এর পর থেকে অনুপস্থিতির বিষয়টি বিচার-বিশ্লেষণের আওতায় আনা হবে।’
সৌজন্যে : প্রথম আলো
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host