ঢাকা |
প্রকাশিত: 1:03 AM, July 2, 2026
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :
গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ট্যাক্সের নামে বিভিন্ন জায়গায় বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। উপজেলার হাজীপুর বালুমহাল মহালের বালুর উৎপত্তিস্থল হাজীপুরে বালু উত্তোলন হলেও লোড পয়েন্টে ইউনিয়ন বা ইন্জিন টেক্স আদায় করা হলেও একটু না পেরোতেই স্থানীয় সদর ইউনিয়নের আমবাড়ি নামক স্থানে প্রকাশ্যে দিবালোকে নৌকা আটকিয়ে শ্রমিকদের জিম্মি করে লাটিয়াল বাহিনীর মাধ্যমে প্রতি ঘনফুট প্রতি এক টাকা আদায় করে মেসার্স লাকি এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান।
মেসার্স লাকি এন্টারপ্রাইজ এর নাম ব্যবহার করে চাঁদা আদায় করেন গোয়াইনঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক মদরিস আলী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ। এছাড়াও বিআইডব্লিউ নামে আরেকটি রশিদের মাধ্যমে আরেকটি চাঁদা আদায় করে নৌ শ্রমিকের নেতা খ্যাত আলিম উদ্দিন নামের আরেকটি গ্রুপ। এসবের কলকাটি নাড়েন সিলেট আদালতে একাধিকবার আটক ভূয়া আইনজীবী সহকারী নজরুল ইসলাম স্বপন। স্বপন ও মদরিছ মামলাবাজ মানুষ হিসাবে উপজেলা জুড়ে গৃনীত তালিকায় রয়েছেন।
বিডিআর ক্যাম্পের মামলা ও পাঁচ তারিখ পরবর্তী গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন মামলায় মুল কব্জা নাড়েন মদরিছ আলী ও নজরুল ইসলাম স্বপন। আওয়ামীলীগ শাসনামলে লেয়াজু ম্যান্টেন করে চলা মদরিছ আলী ও স্বপন সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইন্জিন টেক্স এর প্রথম ইজারাদার মমতাজ উদ্দিন বাবুল এর সাথে প্রতারনা করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী সুমন কে ব্ল্যাকমেইল করে মামলা ও হামলার ভয় দেখিয়ে টাকার হার কমিয়ে ইউনিয়ন ইন্জিন টেক্স এর মাধ্যমে চাঁদাবাজির বৈধতা জাহির করতে চায় চক্রটি।
তিক্ত অভিজ্ঞতায় মুখ খোলতে শুরু করেছেন গোয়াইনঘাট উপজেলার সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ। গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রদল নেতা শাহনুর আহমদ রবিন ক্ষোভ ঝাড়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর পদত্যাগ ও মদরিছ আলী চাঁদাবাজি বন্ধের আহব্বান জানান। কথা বলতে গিয়ে গোয়াইনঘাট রিপোর্টার ক্লাব সভাপতি সাদিকুর রহমান ইউনিয়ন ট্যাক্স নামে ট্যাক্স বন্ধের আহব্বান জানান।
সদর ইউনিয়ন এর হোয়াউরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হালিম বলেন – সদর ইউনিয়নের ইজারাদার ভাড়াটিয়া লোকের মাধ্যমে অবৈধ চাঁদা আদায় করে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের নির্যাতন করতেছেন। ফেইসবুকে সাংবাদিক নোমান আহমদ সদর ইউনিয়ন এর ইজারাদার এর চাঁদাবাজি বন্ধ করে ইউনিয়ন এর মান সম্মান রক্ষার আহব্বান জানান।
জানতে চাইলে ১২ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী সুমন বলেন পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের রশিদ থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ চাঁদা দাবি করে তাহলে তা অবৈধ হবে। আমরা অভিযোগ পেলে ইজারাদারের ইজারা বাতিল করতে পারি।
জানতে চাইলে সদর ইউনিয়ন এর ইজারাদার মদরিছ আলী মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নি।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host