তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি’,’তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’।

প্রকাশিত: ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২৪

তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি’,’তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’।

 

প্রতিবেদনে,এম.এ.ওয়াহিদ সোয়েব।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতির ভয়ংকর রুপ ধারণ করেছে।আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ হচ্ছে এবং তারই প্ররিপ্রেক্ষীতে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা মিছিল করছেন। সোমবার বেলা দুইটার দিকে নগরের টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ ও সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে মিছিল শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পরে মিছিল নিয়ে নগরের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করেন তাঁরা।

এর আগে রোববার রাতে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিহত করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছিলেন ছাত্রলীগের নেতারা।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, বেলা দুইটার দিকে টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ থেকে বাঁশের লাঠি হাতে মিছিল শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি সরকারি কলেজের সামনে যাওয়ার আগে সংক্ষিপ্ত সভায় মিলিত হয়। পরে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে টিলাগড় মোড় পর্যন্ত মিছিল করেন নেতা-কর্মীরা। এ সময় এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম ও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রুহেল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমদসহ অন্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া মহানগর ও জেলা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নগরের রিকাবীবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা এলাকায় পৃথক মিছিল করেন।

ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিলে ‘একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি’, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই’, ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘এই মুহূর্তে খবর এল, রাজাকারেরা পালিয়ে গেল’ এমন স্লোগান দেন।

সোমবার বিকাল ৪টায় মিছিল নিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশওয়ার জাহান সৌরভ, সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম আহমেদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সজিবুর রহমান প্রমুখ।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর