পুলিশ ও মুরব্বীদের হস্তক্ষেপে বড় সংঘর্ষ থেকে রক্ষা পেল ছাতকের দুই গ্রাম

প্রকাশিত: ৮:০৪ অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২৬

পুলিশ ও মুরব্বীদের হস্তক্ষেপে বড় সংঘর্ষ থেকে রক্ষা পেল ছাতকের দুই গ্রাম

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার এলাকায় পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বীদের হস্তক্ষেপে ভয়াবহ এক সংঘর্ষ থেকে রক্ষা পেয়েছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে এক জমি বিক্রির বিষয় নিয়ে দু’গ্রামবাসীর লোকজন দেশীয় লাটি-সোটা নিয়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের জাউয়াবাজারের মারমুখী অবস্থান নেয়। জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত বিষয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সমাধানে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জমি বিক্রেতা জাউয়াবাজার ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান খিদ্রাকাপন গ্রামের বাসিন্দা আখলুছ মিয়ার কাছ থেকে একই ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো.আলীর কাছে ৪ কেদার/(১২০ শতক) নাল (বুরো) জমি বিক্রি করেন। বিক্রয়ের চুক্তি মোতাবেক ক্রেতা বিক্রেতাকে বেশির ভাগ টাকা দিয়ে দেন। কিন্তু বিক্রেতা আখলুছ মিয়া জমিটি রেজিস্ট্রি না দিয়ে ক্রেতাকে দীর্ঘ সময় কালক্ষেপণ করতে ছিলেন। বিষয়টি মো.আলী বিক্রেতা সাবেক চেয়ারম্যান আখলুস মিয়ার ভাই যুবলীগ নেতা মো.লোকমান হোসেনকে বুধবার রাতে জানালে তাদের দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এ বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে লোকমান হোসেন পক্ষ মো. আলীকে মারধর করে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তোজনার সৃষ্টি হলে উভয় গ্রামের কয়েক শত লোকজন একইদিন দুপুর সাড়ে ১২টায় দেশীয় অন্ত্র-সস্ত্র লাটি-সোটা, দাড়ালো অন্ত্র নিয়ে জাউয়াবাজারের সড়কের উপর অবস্থান নেয়। যে কারণে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় আধঘন্টা সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। চরম নিরাপত্তার বিষয়টি চিন্তা করে আতংকে অনেকেই দোকান-পাঠ ও মার্কেট বন্ধ করে দেন।
একপর্যায়ে জাঊয়াবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ, জাউয়াবাজার পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় মুরব্বীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন। এরপর সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
এবিষয়ে উপজেলার জাঊয়াবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) কবির আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জমি কেনাবেচার বিষয় নিয়ে দুই গ্রামের লোকজন মারমুখী অবস্থানে ছিলো। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে নিস্পত্তি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর