সিলেটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধন
ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৮:০২ অপরাহ্ণ, মে ২, ২০২৬

<span style='color:#077D05;font-size:19px;'>সিলেটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধন</span> <br/> ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী

বাসস
ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ শনিবার বিকাল ৫ টায় মহানগরীর রিকাবীবাজারে সিলেট স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে একটি লাল বাটন চেপে ট্রফি ও লোগো উন্মোচনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সারা দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতেও এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন খুদে ক্রীড়াবিদরা। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন।

সারাদেশে শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভা অন্বেষণে এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর যাত্রা শুরু হলো। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকায় এবার ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড পর্যায় থেকে এই কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার।

১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ক্রীড়া পরিদপ্তর; তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেটের শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে একদিন তোমরাই নেতৃত্ব দিবে। মন্ত্রী এমপি সংসদ সদস্য হবে তোমরাই। তবে তার আগে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও অংশগ্রহণ করতে হবে। তোমাদের সবাইকেই বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের এই দেশটা একসময় পরাধীন ছিল। যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছেন আমাদের পূর্বপুরুষরা। তারপর আরও অনেক ঘটনা প্রবাহের পর ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতা আন্দোলন করে আবার স্বাধীন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমাদের সবাইকে নিজেদের লক্ষ্য স্থির করে তা অর্জনের জন্য এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সব ব্যবস্থা করে দিব। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্যোগ আমরা নিয়েছি, কারণ তোমাদের মধ্য থেকেই দেশের আগামীদের বড় বড় ক্রীড়াবিদরা উঠে আসবে। তোমাদের মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

শিশু-কিশোরদের দিক নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, যে যা হতে চাও, সেই লক্ষ্য স্থিও করে তোমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আগামী দিনের জজ, ব্যরিস্টার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, অধ্যাপক মন্ত্রী সাংসদ, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী হতে তোমাদেরকেই। যে গান গাইতে চায় তাকে ভালোভাবে গাইতে গাইতে বড় শিল্পী হতে হবে, যে মিউজিশিয়ান হতে চায় তাকে মিউজিশিয়ান হতে হবে। এই দেশ তোমাদের, তোমাদেরকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে, দেশকে গড়তে হবে।

এসময় তিনি উপস্থিত শিশু-কিশোরদের কাছে জানতে চান কে কে দেশের দায়িত্ব নিতে পারবে না হাত তুলতে হবে। কেউ হাত তুলেনি। এরপর তিনি জানতে চান, দেশের দায়িত্ব নিতে চায় কে কে? তখন সবাই হাত তুললে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

অবশ্য সভার শুরুতে সমবেত শিশু-কিশোরদেরই আজকের প্রধান অতিথি বলে সম্বোধন করলে তাদের মধ্যেও খুশির ঝিলিক ছড়িয়ে পড়ে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালিক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সাংসদ শাম্মি আখতারসহ সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর