ঢাকা ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:২০ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০২৬
আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জের যাদুকাটায় যন্ত্র ব্যবহারের জন্য সুপ্রিম কোর্ট চেম্বার জজ এর আপিল বিভাগের জারী করা আদেশে ১২ এপ্রিল ২০২৬ ইং সালের মেয়াদ বাড়িয়ে ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ইং পর্যন্ত নতুন করে মেয়াদ বর্ধিত করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের সর্ববৃহত বালু মহাল যাদুকাটা নদীতে চারটি উপজেলার লাখো বারকি শ্রমিকের কর্মসংস্থান বন্ধের জন্য একটি দুষ্কৃতিকারী চক্র গত ১৯ আগস্ট’২৪ উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন যার আপিল নং-৩৯৭৮-২০২৫ইং দায়ের করলে আদালত সেটি স্থগিত রেখে নদীতে গভীর পানি থাকায় সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করতে না পারায় শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট নাদিয়া আক্তারের আপিল বিভাগে দায়ের করা রিট পিটিশনের ভিত্তিতে সেইভ মেশিন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারক ফারা মাহবুব এর আদালত। যার রিট-পিটিশন নং-৯৯১৭।
এদিকে যাদুকাটা নদীর নিয়োগকৃত ইজারাদার নাসির মিয়া বলেন,চারটি উপজেলার প্রায় লাখো বারকি শ্রমিকের কর্মসংস্থান বন্ধের লক্ষ্যে একটি স্বর্থানেসী মহল যাদুকাটা বালু মহাল স্থগিত করার জন্য রিট পিটিশন দায়ের করলে বিজ্ঞ আপিল ব্যাঞ্চের বিচারক ফারাহ মাহবুব তা স্থগিত রেখে নদীতে গভীর পানি থাকার কারণে শ্রমিকরা সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করতে না পারায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট নাদিয়া আক্তারের দায়ের করা রিট পিটিশন বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর আলোকে সেইভ মেশিন ব্যবহারেরর মেয়াদ বর্ধিত করা হয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে এই দুটি বালু মহাল ৪৪ কোটি টাকায় লীজ নিয়েছিল সাবেক দুই ইজারাদার ।কিন্তু এবছর আমরা লীজ নিয়েছি ১০৭ কোটি টাকায়। পাশাপাশি যাদুকাটা নদীর পাড় কাটা রক্ষায় প্রতিনিয়ত জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সার্বক্ষণিক তিনজন ম্যাজিস্ট্রট,বিজিবি,নৌ-পুলিশ টহল দিয়ে থাকে ।আদালতের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ পাঁচ মাস যাবৎ নদী বন্ধ থাকায় আমরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় উচ্চ আদালতে আমরা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট করলে বিজ্ঞ আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী পাঁচ মাস রয়েলটি আদায়ের অনুমতি প্রদান সহ ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এতে চারটি উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক নৌ-শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ির কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। নদীতে বেশি পানি থাকায় আমাদের শ্রমিকরা সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করতে পারছেন না। তাই সেইভ মেশিনেই আমাদের একমাত্র ভরসা।
শ্রমিক সংঘটনের সাধারণ সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম সর্দার বলেন, বর্তমান সাত থেকে প্রায় সাড়ে সাতশত ফুট গভীর পানির মধ্যে সীমানা নির্ধারন করে দিয়েছেন। সেখানে সেইভ মেশিন ছাড়া কোন ভাবেই ডুবিয়ে বালু উত্তোলন করা সম্ভব হবে না। এতে ব্যবসায়ি,শ্রমিক এবং ইজারাদার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। আমরা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাই আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ইজারাদারের গেল পাঁচ মাসের ক্ষয়ক্ষতি পুশিয়ে দেওয়া সহ মেয়াদ বর্ধিত করায় আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host