ঢাকা ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০২৬
বিজয়ের কণ্ঠ ডেস্ক
লিটন দাসের অনবদ্য সেঞ্চুরির পরেও প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই টাইগারদের ম্যাচে এগিয়ে দেন বোলাররা। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর পাকিস্তানের লেজের সারির ব্যাটাররা কিছুটা লড়াই করলেও প্রথম ইনিংসে লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা।
এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারালেও স্কোরবোর্ডে একশর বেশি রান যোগ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ফলে দ্বিতীয় দিন শেষে ম্যাচে এগিয়ে টাইগাররা। রোববার (১৭ মে) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১১০ রান।
প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানে এগিয়ে থাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট হাতে নিয়ে বাংলাদেশের লিড ১৫৬ রানের। এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ সবকটি উইকেট হারিয়ে করেছে ২৭৮ রান। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে করেছে ২৩২ রান।
৪৬ রানে এগিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারায় বাংলাদেশ। অভিষিক্ত এই ওপেনার বাউন্ডারিতে রানের খাতা খুললেও সেটাই ছিল তার ইনিংসের প্রথম এবং একমাত্র স্কোরিং শট। ৭ বল খেলে ৪ রানে ফিরেছেন তিনি। শুরুর সেই ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দিয়েছেন মুমিনুল হক ও মাহমুদুল হাসান জয়।
বিশেষ করে জয় এদিন দারুণ ব্যাটিং করেছেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এই ওপেনার। পেয়েছেন ফিফটির দেখাও। ৬১ বলে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। তবে ফিফটির পরপরই সাজঘরে ফিরেছেন। সবমিলিয়ে ৬৪ বলে করেছেন ৫২ রান। শেষ বিকেলে মুমিনুল হককে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দারুণ শুরু করা এই ব্যাটার আরো একবার ফিফটির পথে হাঁটছিলেন। তবে এবার থামতে হলো তার আগেই। ৬০ বলে করেছেন ৩০ রান। মুমিনুলের আউটের পরপরই দিনের খেলা শেষ করেন আম্পায়াররা।
এর আগে প্রথম দিনের বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। এদিন সকালের সেশনেই পাকিস্তানের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। লাঞ্চের আগে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান। মিডল অর্ডারে একমাত্র বাবর আজম লড়াই করেছেন। এ ছাড়া আর কেউই সুবিধা করতে পারেননি।
বাবর ৬৮ রান করে নাহিদ রানার বলে সাজঘরে ফেরেন। এরপর সালমান আলি আগা-মোহাম্মদ রিজওয়ানরা চেষ্টা করেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দুজনেই উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৮৪ রানে ৮ উইকেট হারানো পাকিস্তান দুইশ ছুঁয়েছে লেজের সারির ব্যাটারদের কল্যাণে। ৯ নম্বরে নামা সাজিদ খান করেছেন ২৮ বলে ৩৮ রান। শেষ পর্যন্ত ২৩২ রানে থামে পাকিস্তান, ফলে ৪৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host