আবু তাহের এমবিই খেতাব গ্রহণ করায় বন্ধু মহলের অভিনন্দন

প্রকাশিত: ৮:৪১ অপরাহ্ণ, মে ১৯, ২০২৬

আবু তাহের এমবিই খেতাব গ্রহণ করায় বন্ধু মহলের অভিনন্দন

বিজয়ের কণ্ঠ ডেস্ক
লন্ডনের ঐতিহাসিক Windsor Castle-এ রাজকীয় পরিবেশে “মেম্বার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (এমবিই)” সম্মাননা গ্রহণ করেছেন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির সুপরিচিত মুখ, বিশিষ্ট একাউন্টেন্ট, সাহিত্যিক, সংহতি সাহিত্য পরিষ এর সভাপতি ও অনেক সামাজিক ও চ্যারিটি সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছড়াকার আবু তাহের। এই গৌরবময় অর্জনে তাঁর বন্ধু মহলের পক্ষ থেকে শনিবার (১৬ মে) তাৎক্ষণিকভাবে এক আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন আয়োজন করা হয়।
বন্ধুদের আয়োজিত এ মিলনমেলায় উপস্থিত ছিলেন এল বি ২৪ এর ম্যানেজিং এডিটর, সাংবাদিক মোঃ আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল, গোলাপগঞ্জ সোস্যাল এন্ড কালচারাল ট্রাস্ট এর সহ সভাপতি হেলাল উদ্দিন, বিয়ানিবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সেক্রেটারি শামসুল হক এহিয়া, বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত হাসান তাসাদিক রুহেল, সংহতি সাহিত্য পরিষ এর সাবেক সহ সভাপতি সেলিম উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহেদ চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক নুজরুল আলম আনাই, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কুশিয়ারা ক্যাশ এন্ড ক্যারির পরিচালক ফারুক মিয়া, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী এনামুল হক, বিশিষ্ট একাউন্টটেণ্ট ইকবালুল হক, একাউন্টটেণ্ট গৌরব রায়, একাউন্টটেণ্ট নুরুল ইসলাম, মিতা তাহের, আবিদা লাকী, সৈয়দা তুহিন চৌধুরী, সৈয়দা নাজমিন হক, শামসুন নাহার রুবি, তাহেরা বেগম, রওশানারা বেগম সাজু, ফারজানা বেগম উদ্দিন, ফরিদা ইয়াসমিন আলমসহ আরও অনেকে। প্রিয় বন্ধুর এমন অসাধারণ অর্জনে সবাই আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেন।
বন্ধুদের এই ভালোবাসা ও সম্মানে আপ্লুত আবু তাহের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন “এমবিই খেতাব পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্ব ও সম্মানের। এই স্বীকৃতি আমাকে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে আরও বেশি কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। আমি এই অর্জন আমার পরিবার, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং কমিউনিটির মানুষদের উৎসর্গ করছি।”
উল্লেখ্য, গত ১৩ মে ২০২৬ বুধবার ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য চৎরহপব ডরষষরধস-এর হাত থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এমবিই সম্মাননা গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘদিনের পেশাগত সাফল্য, সাহিত্যচর্চা, সমাজসেবা এবং কমিউনিটি উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাজ্য সরকার তাঁকে এ মর্যাদাপূর্ণ সম্মানে ভূষিত করে।
লন্ডনের নিকটবর্তী ঐতিহাসিক Windsor Castle-এ আয়োজিত রাজকীয় অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রিন্স উইলিয়াম আনুষ্ঠানিকভাবে আবু তাহেরের হাতে এমবিই সম্মাননা তুলে দেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহধর্মিণী মিতা তাহের, একমাত্র কন্যা অনিকা তাহের এবং ছোট ছেলে তামিম তাহের। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি এ গৌরবময় মুহূর্তকে আরও আবেগঘন, স্মরণীয় ও অনন্য করে তোলে।

সরওয়ার,মোহাম্মদ সাদ চৌধুরী,মোহাম্মদ ময়নুল হক,মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান,গুলনাহার থান,মোহাম্মদ এ আর সোহেল,হাফসা নূর,মরিয়ম রহমান পলি,মোঃ দেলোয়ার হোসেন,জুবের আহমদ,শিব্বির আহমদ।
নতুন কাউন্সিল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা :
এরপর নব নির্বাচিত কাউন্সিল ম্যানেজমেন্ট কমিটির তাৎক্ষণিক একটি সভা পার্মানেন্ট মেম্বার ড. শাহানুর খানের সভাপতিত্বে এবং সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী বাংলাদেশ সেন্টারের ২০২৬-২৮ সালের কাউন্সিল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তফজ্জুল মিয়াকে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত করা হয়। এছাড়াও সভায় পূর্ণাঙ্গ কাউন্সিল ম্যানেজমেন্ট কমিটির পরবর্তী সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। উক্ত সভায় কাউন্সিল ম্যানেজমেন্ট কমিটির বিভিন্ন পদ বন্টন ও বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হবে।
বিশেষ দোয়া :
বাংলাদেশ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা লগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত যে সকল ফাউন্ডার মেম্বার, পার্মানেন্ট, লাইফ ও জেনারেল মেম্বার মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন সেন্টারের খতিব ও লাইফ মেম্বার হাফিজ নাজিম উদ্দিন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে লন্ডনের ঐতিহাসিক ‘বাংলাদেশ সেন্টার’। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গঠনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন যুক্তরাজ্য প্রবাসীরা। তখন যুক্তরাজ্য প্রবাসীরাই স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে বৈশ্বিক সমন্বয়কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন ‘বাংলাদেশ সেন্টার’। এই সেন্টারেই ভারতের পর বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম কোনো দূতাবাস চালু হয়। দ্য রয়্যাল লন্ডন বারা অব কেনজিংটন অ্যান্ড চেলসি এলাকার নটিংহিল গেইট টিউব স্টেশনের কাছেই ২৪ পেমব্রিজ গার্ডেন্সে অবস্থিত ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সেন্টার।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর