ঢাকা ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:৩০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২৬
বিজয়ের কণ্ঠ ডেস্ক
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ চরম এক সতর্কবাণী উচ্চারণ করে জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বর্তমান তেল ও গ্যাস সংকট ১৯৭৩, ১৯৭৯ এবং ২০২২ সালের সম্মিলিত সংকটের চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তাকে ইতিহাসের সবথেকে গুরুতর সংকট হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। ফরাসি সংবাদপত্র ল্য ফিগারোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিরল বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের প্রভাব সত্তরের দশকের জোড়া তেলের ধাক্কা এবং ইউক্রেন আক্রমণের ফলে সৃষ্ট সংকটের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী।
আইইএ প্রধানের মতে, এই সংকটে সবথেকে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলো। তেলের আকাশচুম্বী দামের কারণে এসব দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির হার দ্রুত ত্বরান্বিত হবে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলোসহ জাপান ও অস্ট্রেলিয়াও এই অর্থনৈতিক ধাক্কার বাইরে থাকবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। বিশ্ব অর্থনীতিতে এক ধরনের স্থবিরতা আসার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া চরম হুঁশিয়ারির পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ট্রাম্প তার বার্তায় উল্লেখ করেন, ইরান যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চুক্তিতে না আসে তবে আজ রাতেই একটি আস্ত সভ্যতা বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে ১১০.৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং নিউ ইয়র্ক লাইট ক্রুডের দাম ২.৫ শতাংশ বেড়ে ১১৫.১৭ ডলারে পৌঁছেছে।
ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এখন বিশ্ববাসীর প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host