ঢাকা ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:১২ অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০২৬
বিজয়ের কণ্ঠ ডেস্ক
বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্পমন্ত্রী এবং সিলেট-১ আসনের এমপি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন- আপনার-আমার চোখের সামনে যা ঘটছে তা তো অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাই সিলেটের অপরাধ দমনে র্যাব-পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ ফোর্স গঠন করা হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়ে গেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
গতকাল বিকালে সিলেট নগরভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন- সিলেট মহানগরে ফেস রিকগনিশন এআই ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে অচিরেই আমরা এ পথে আগাবো।
এর আগে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদান বিতরণ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ উপলক্ষ্যে গতকাল বিকাল ৫টায় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে নগরভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন- পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই সিটি কর্পোরেশনের প্রাণ। তাঁদের অবদানেই সিলেট শহর বাসযোগ্য থাকে। তাই সরকার তাঁদের সম্মান জানাতে প্রতি ঈদেই বিশেষ উপহার দিচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন- ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী সব সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কথা ভাবেন। গত ঈদেও উপহার পাঠিয়েছিলেন, এবারও পাঠিয়েছেন। সরকারের সামর্থ্য সীমিত, তারপরও আপনাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে ৮৩১ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জন্য উপহার নিশ্চিত করা হয়। পরে আরও ৩৩১ জন যাতে উপহার থেকে বাদ না পড়েন, সে জন্য সিসিকের নিজস্ব তহবিল থেকে অতিরিক্ত ১৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা যোগ করা হয়েছে।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন সমস্যার বিষয়ও তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি তাঁদের বাসস্থানের অবস্থা ঘুরে দেখেছেন। একটি ছোট কক্ষে আট থেকে ১০ জন পর্যন্ত থাকেন, যা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নতুন আবাসন প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে।
ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করে সিলেটকে আবার পরিচ্ছন্ন নগরে পরিণত করা হবে।’
চামড়া জাতীয় সম্পদ উল্লেখ করে মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন- আমরা বছরে একবার বড় পরিসরে চামড়া সংগ্রহ করে সেগুলো এবং চামড়াজাতক পণ্য রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করি। আল্লাহর দেওয়া এই সম্পদ আমাদের অর্থনীতিতে বড় সহায়ক ভূমিকা রাখে। আমরা এ শিল্পকে আগামীতে আরও বড় আকারে নিয়ে যেতে চাই। তাই সিলেটে যারা কুরবানি দিবেন তাদের কাছে এবং আমাদের মাদরাসার সম্মানিত শিক্ষকদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আল্লাহর দেওয়া এই নিয়ামত কাজে লাগাবেন, সংরক্ষণ করবেন। সংরক্ষণ করলে ঈদের দিন আমরা সেগুলো যাতে সিলেট থেকে কিনে নেওয়া হয় সেটি নিশ্চিত করবো ইনশা আল্লাহ। তবে পশু থেকে চামড়া ছাড়ানোর পর সেগুলো লবন দিয়ে রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host