ঢাকা |
প্রকাশিত: 1:30 PM, September 5, 2026
মোঃ শহিদ, সুনামগঞ্জঃ
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ সাচনাবাজার টু লালপুর বিআইডব্লিউটিএ নদী পথে সরকার নিধারিত টোল প্রতি ঘনফুট পাথর ৫০ পয়সার স্থলে ২.৮০ পয়সা এবং প্রতি ঘনফুট বালু ২৫ পয়সার স্থলে ১.৩০ পয়সা পরিবহনকারী নৌকা থেকে অতিরিক্ত টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজী, হয়রানী ও শ্রমিক নির্যাতনের প্রতিবাদে জামালগঞ্জ নৌ শ্রমিক-ব্যবসায়িরা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন মন্ত্রালয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ মাধ্যমে জানা যায়, বিআইডব্লিউটিএ ইজারাদার ওয়াহেদ আলী আফিন্দির লোকজন অবৈধভাবে সাচনা টু লালপুর নদী পথে চানপুর,লালপুর,লক্ষীপুর
নামকস্থানে বালু-পাথরবাহী লোড-আনলোড
চলন্ত নৌকা আটকিয়ে ৫০ পয়সার স্থলে নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের দেয়া টোল চার্টের চেয়ে অতিরিক্ত ২.৮০ পয়সা করে দুইবার টোল আদায় করছে। এদিকে ইজারাদার কর্তৃক অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিষয়ে জেলা কার্গো-ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন ও জামালগঞ্জ স্টিলবডি নৌ পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা প্রতিবাদ করলেই তাদেরকে হয়রানি সহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছে।
শ্রমিক ও ব্যবসায়িরা বলেন, নৌ-পরিবহন মন্ত্রালয়ের গেজেট ও টোল চার্টে স্পষ্টভাবে বালি,মাটি,পাথর,
কয়লা ইত্যাদি যে সকল দ্রব্য সামগ্রীর পরিমাণ ঘনফুট/ঘনমিটারে নির্ধারিত হয় তা জাহাজ/বার্জ/নৌকা হতে (২০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে) জেটিতে বা ফোরশোরে বা যানবাহনে বা অন্য কোন জাহাজ/ভেসেল/ফ্ল্যাট/বার্জ/লঞ্চ/নৌকায় মালামাল উঠানো বা নামানোর জন্য (২০০ মিটারের অধিক প্রতি ৫০ মিটারের জন্য ০.০৫ টাকা প্রতি ঘন মিটার) উল্লেখ রয়েছে কিন্তু নদী পথে পরিবহনকৃত প্রতি ঘনফুট পাথরে যেখানে ৫০ পয়সা এবং প্রতি ঘনফুট বালুতে ২৫ পয়সা করে টোল আদায় করার কথা থাকলেও ইজারাদাররা প্রতি ঘনফুট পাথরে ২.৮০ পয়সা করে লোড আনলোড নৌকা থেকে দুইবারে ৫ টাকা ৬০ পয়সা এবং বালু থেকে ২৫ পয়সার স্থলে ১.৩০ পয়সা টোল আদায় করছে। যে কারণে সুনামগঞ্জ ০১ আসনের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ি কর্মসংস্থান হারিয়ে মানব বেতর জীবন যাপন করছেন। অন্যদিকে নির্ধারিত টোল আদায় কেন্দ্রের মাধ্যমে টোল আদায়ের নিয়ম থাকলেও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা চালকদের জিম্মি করে ভাসমান অবস্থায় নদীর তিনটি স্থানে টোল আদায় করে যাচ্ছে। যারা অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান তাদেরকে মারধর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও রশিদ না দিয়ে চাঁদা আদায় করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে । অবিলম্বে নদীপথে টোল আদায়ের নামে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,শ্রমিক হয়রানী ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানানো হয়।
ইজারাদার ওয়াহেদ আলী আফিন্দি জানান, সরকার আমাদেরকে যে রেট দিয়েছে। সেভাবেই আদায় করছি। প্রতি ঘনফুট পাথর ও বালুর টোল টেক্স এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, প্রতি ঘনফুট পাথর ২.৮০ পয়সা এবং বালু ৩০ পয়সা করে টোল আদায় করছি। আমাদের ঘাটে অতিরিক্ত কোন টোল আদায় করা হয় না।
জামালগঞ্জ উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদক বলেন, সাচনা টু লালপুর বিআইডব্লিউটিএ নদী পথে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে এ ধরনের কোন অভিযোগ পাইনি। তবে খোঁজ নিয়ে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host