ঢাকা |
প্রকাশিত: 4:46 PM, October 17, 2026
মো আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন সুনামগঞ্জ ৪ আসনের এমপি এডভোকেট নুরুল ইসলাম।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টায় শহরের রায়পাড়া-সোমপাড়া পূজা কমিটির আয়োজনে পূজা মন্ডপে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন,ডিবি পুলিশের ওসি একেএম শামিম হাসান,বিএনপি নেতা লিলু মিয়া,মোর্শেদ আলম,পারভেজ আহমেদ,কামরুল হাসান রাজু,মমিনুল হক কালারচান,মোসাদ্দেক হোসেন দুলু, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবায়দুল হক,সালাউদ্দীন আহমেদ,ডাঃ সুজিত সরকার, ডিবি পুলিশের এসআই মাহমুদুল হাসান,এএসআই খাদেম, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নাছির মিয়া,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব দে,সোমপাড়া সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি সুমন সাহা,সাধারণ সম্পাদক সাগর রায়, ডাঃ নান্টু রায়,জগন্নাথ রায়,সন্তুষ রায়,চিপু পুধ্যায়,প্রিতম দেব,আকাশ রায়,পাপ্পু দেব,মঙ্গলরায়,
ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য,আজ মহাষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার আনুষ্ঠানিক জাগরণ বা বোধন অনুষ্ঠিত হবে। কথিত আছে, এদিনই নাকি রামচন্দ্র দেবীর বোধন করেন। আগামী ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে উৎসব।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী শনিবার ও রবিবার, এই দুই দিন জুড়ে মহাসপ্তমী তিথি থাকায় পরদিন থেকেই দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকার আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হবে। এতে দেবীর বিভিন্ন রূপের প্রতীক হিসেবে নয়টি উদ্ভিদকে স্নান করিয়ে পূজা করা হয়। সোমবার উদযাপিত হবে মহাঅষ্টমী। যার বিশেষ আকর্ষণ হলো সন্ধিপূজা, যা অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন মহানবমীতে পূজার শেষ ধাপের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে এবং দেবীকে ভোগ নিবেদন করা হবে। উৎসবের শেষ দিনে ভক্তরা দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন এবং প্রতিমা বিসর্জনের জন্য শোভাযাত্রা সহকারে নির্ধারিত নদী, পুকুর বা জলাশয়ে নিয়ে যাবেন। পঞ্জিকামতে, জগতের মঙ্গল কামনায় এবার দেবী দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যে আগমন করবেন। অন্যদিকে, দেবী নৌকায় চড়ে স্বর্গলোকে গমন করবেন।
দেবী দুর্গা বাধাবিঘ্ন, ভয়, দুঃখ, শোক, জ্বালা ও যন্ত্রণা এসব থেকে ভক্তকে রক্ষা করেন। শাস্ত্রকাররা দুর্গার নামের অন্য একটি অর্থ করেছেন, দুঃখের দ্বারা যাকে লাভ করা যায় তিনিই দুর্গা। দেবী দুঃখ দিয়ে মানুষের সহ্য ক্ষমতা পরীক্ষা করেন। তখন মানুষ অস্থির না হয়ে তাকে ডাকলেই তিনি তার কষ্ট দূর করেন। শ্রী শ্রী চন্ডীতে উল্লেখ আছে, ত্রেতা যুগে ভগবান রাজা রামচন্দ্র দশানন রাবণের সঙ্গে যুদ্ধে রত হন। পাপের বিনাশের লক্ষ্যে দেবী আদ্যাশক্তি মহামায়ার কাছে শক্তি বৃদ্ধির আশায় শরৎকালে তার পূজা করেছিলেন এবং যুদ্ধে জয়লাভ করে দেবী সীতাকে উদ্ধার ও রাবণকে হত্যা করতে সক্ষম হন রামচন্দ্র। সেই থেকে পৃথিবীতে প্রতি বছর শরৎকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দুর্গোৎসব পালন করে আসছেন।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host