ঢাকা ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:১৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২১
আখলাছ আহমেদ প্রিয়, হবিগঞ্জ
হবিগঞ্জে সাবেক ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যানের দ্ব›েদ্ব বন্ধ হয়ে পড়েছে মাদরাসা নির্মাণ কাজ। পরিস্থিতি বেগতিক ও তাদের দ্ব›দ্ব চরম আকার ধারণ করায় আপাতত নির্মাণ কাজ স্থগিত রেখেছেন গ্রামবাসী। বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাহুবল সার্কেল) পারভেজ আলম চৌধুরীর কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সম্প্রতি জেলার বাহুবল উপজেলার লোহাখলা গ্রামে ‘লোহাখলা ইসলামিয়া মহিলা মাদরাসা’ স্থাপনের উদ্যোগ নেন গ্রামবাসী। এতে গ্রামবাসীকে সহযোগিতা করতে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির চৌধুরী মাদরাসাটি নির্মাণ স্থাপনের জন্য তার বাড়ির একটি অংশ দান করেন। এরপর মাদরাসাটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হলে বাধা প্রদান করেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান। তিনি নির্মাণ কাজ শুরু থেকে মাদরাসাটির রাস্তায় চলাচলে বাধা নিষেধ করছেন। এতে করে মাদরাসার নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে ওই দুই চেয়ারম্যানের লোকজনের মধ্যে দেখা দিয়েছে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা। গ্রামবাসীর মধ্যে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে বিষয়টির সমাধান চেয়ে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাহুবল সার্কেল) পারভেজ আলম চৌধুরীর কাছে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির চৌধুরী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এদিকে, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান দাবি করছেন, তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের চৌধুরী তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আসছেন। তার বাড়ির উপর দিয়ে জন সাধারনের চলাচলের রাস্তা তৈরী করার হীন উদ্দেশ্যে গ্রামবাসীকে প্রলোভন দিয়ে মহিলা মাদরাসা নির্মাণ স্থাপনের চেষ্টা করছেন আব্দুল কাদির চৌধুরী। যা সম্পূর্ণ অযৌত্তিক। বাড়ির উপর দিয়ে মাদরাসায় আসা যাওয়ার রাস্তা দেয়া মোটেও সম্ভব নয়। গ্রামের একটি নিরাপদ জায়গায় মাদরাসা নির্মাণের জন্য তিনি গ্রামবাসীকে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু আব্দুল কাদির চৌধুরী তা মানতে রাজি নন বলে জানান সৈয়দ খলিলুর রহমান।
এ ব্যাপারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির বলেন, ‘ গ্রামবাসী মহিলা মাদরাসা নির্মাণের উদ্যোগে নিলে আমার বাড়ির একটি অংশ আমি ওই মাদরাসায় দান করি। নির্মাণ কাজ শুরু করা হলে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান খলিল মাদসায় আসা যাওয়ার রাস্তাটি বন্ধ করে দেন। গ্রামবাসী তাকে অনুরোধ জানালেও তিনি তার কর্ণপাত করেননি। এক পর্যায়ে নিরুপায় হয়ে গ্রামবাসী মাদরাসার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host