ঢাকা ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০২১
বিজয়ের কণ্ঠ ডেস্ক
বৈজ্ঞানিক গবেষণা আর অত্যাধুনিক টেকনোলজি মানুষের হাতের নাগালে। তথাপি সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আগ্রাসন। থেমে থেকে বার বার মরণকামড় দিচ্ছে করোনা। করোনাভাইরাস যার নাম কোভিড-১৯। মহামারি আকারে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। মৃত্যুর মিছিল ক্রমেই বেড়েই চলেছে।
করোনাভাইরাস থেকে পৃথিবীর মানুষের কোনো মুক্তি নেই। আজীবন বেঁচে থাকবে করোনাভাইরাস! পৃথিবী থেকে একেবারে নিশ্চিহ্ন হবে না করোনাভাইরাস। ধীরে ধীরে এন্ডেমিক স্তরে পৌঁছে তা ইনফ্লুয়েঞ্জায় পরিণত হবে। সম্প্রতি ভারতের গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিএমআর।
করোনা ভাইরাস ইনফ্লুয়েঞ্জা আকারে আজীবন বেঁচে থাকবে একটি নির্দিষ্ট এলাকার নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে। আইসিএমআরের এপিডেমিওলোজি বিভাগের কর্মকর্তা ডক্টর সমীরণ পান্ডার মতে, করোনাভাইরাস এন্ডেমিক স্তরে পৌঁছালে বছরে একবার করে টিকাকরণের দরকার পড়বে। তিনি আরও বলেন, ১০০ বছর আগে অতিমারির আকার নিয়েছিল ইনফ্লুয়েঞ্জা। কিন্তু বর্তমানে তা এন্ডেমিক বা আঞ্চলিক রোগে পরিণত হয়েছে। একইরকমভাবে করোনাভাইরাসও বর্তমান পর্যায় কাটিয়ে এন্ডেমিক স্তরে পৌঁছাবে।
মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ভাইরাসকে কাবু করে রাখা যেতে পারে। অতীতের প্লেগ, ফ্লু, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি মহামারি প্রশমিত হলেও রোগগুলো কিন্তু চিরতরে নির্মূল হয়ে বা বিলুপ্ত হয়ে হারিয়ে যায় নি। টিকা ও মানুষের অভিযোজন ক্ষমতার কাছে পরাজিত হয়ে এখনো রয়ে গেছে।
তবে বয়স্কদের প্রতি বছর টিকা নিতে হবে । সবাইকে টিকা নিতে হবে। সদ্য মায়েদেরকেও নিতে হবে টিকা। মায়ের শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে, তা স্তন্যপান করানোর সময় সন্তানের জন্যও কার্যকারী হয়ে উঠবে। এতে সন্তানেরও করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।
করোনাভাইরাসের অস্তিত্বও লুপ্ত হবে, এরকম আশা করা যায় না। ভ্যাকসিনের প্রয়োগ ও মানুষের সর্বাত্মক সচেতনতার মাধ্যমে করোনাকেও পরাজিত এবং প্রশমিত করে রাখা সম্ভব হতে পারে। তখন ভাইরাসটি আর মহামারি আকারে ক্রিয়াশীল থাকবে না। সাধারণ ব্যাকটেরিয়া-ভাইরাসের মতো নির্বিষ হয়ে থেকে যাবে।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host