ঢাকা ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:৪১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬
আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে বড়ঘাট গ্রামের সুনামগঞ্জ-সাচনা রোডের পাশে সংখ্যালঘু পরিবারের ২৮ শতক এনিমি জায়গা নিয়ে জবর দখলের পাঁয়তারা চলছে।
মঙ্গলবার সকালে এই জায়গা ভরাট করতে ওয়ারিশান সূত্রে মালিক দাবি করে একই গ্রামের ভানু দাস ও ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের আব্দুর রহীমের উদ্েযাগে জোরপূর্বক মাটি ভরাট করে দখলে নিতে চাইলে অপর ওয়ারিশান শুধাংশু দাস ও স্ত্রী কল্পনা রানী দাস বাধা দেন। এই ঘটনায় সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ এবং স্থানীয়দের সামনেই দখলকারী আব্দুর রহিম ভূমির রেকর্ডীয় মালিক শুধাংশু দাস (৪২)কে কিলঘুশি মেরে আহত করেছে। সুধাংশু দাস সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
শুধাংশু দাসের দাবি বড়ঘাট মৌজার জেএলনং-২৩, খতিয়ান নং-১৫১, দাগ নং-১৮৬। তার মোট ২৮ শতাংশ জায়গা রয়েছে। কিন্তু অপর ওয়ারিশান ভানু দাসের পিতা সুখময় দাস দেড় কেয়ার জায়গা বিক্রি করেন খোকা দাসের কাছে। পরবর্তীতে ভানু দাস আরও ৩ বার অবৈধভাবে এই জায়গার বিভিন্ন অংশ বিক্রি করেছেন আব্দুর রহীমের কাছে।
ওয়ারিশান শুধাংশু দাস বলেন, আমার দখলীয় ভূমি আমার কাকা সুখময় দাস তাদের অংশের জায়গা বিক্রি করে গেছেন আরও ২০ বছর আগে। কিন্তু আমার দখলীয় ২৮ শতাংশ জায়গা আব্দুর রহীম জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে। আমরা বাধা দেওয়ার পর আমার উপর হামলা চালায়। বর্তমানে আমরা জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
অভিযুক্ত ভানু দাস বলেন, এই অ্যানিমির জায়গা দীর্ঘ ৫০ বছর দখলে থেকে খাজনাও দিয়েছি। পরে আমার পিতার অংশ দেড় কেয়ার জায়গা বিক্রি করেছি আব্দুর রহীমের কাছে। তিনি স্বীকার করেছেন, সুখময় দাস এই ক্রয় করেছেন।
অভিযুক্ত আব্দুর রহিমের মোবাইলে ফোন করা হলে কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। তাই বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সদর মডেল থানার এস আই মিজানুর রহমান বলেন, দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এই বিষয় নিয়ে আরও ২/১ বার সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু নিষ্পত্তি হয়নি।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আদিত্য পাল বলেন, এনিমির ভূমি সংক্রান্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host