ঢাকা ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
উচ্চ আদালত অবমাননার দায়ে সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার অন্তগত দুর্লভপুর নৌকাঘাট ১৪৩২ বাংলা সনের ইজারাদার ইয়াকবীর হোসেন আফিন্দিকে নৌকাঘাট বুঝিয়ে না দেওয়ায় জামালগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুশফিকীন নূরকে স্ব শরীরে হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে।
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি মহামান্য হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে জবাব দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মহামান্য হাইকোর্টের দায়েরকৃত কনটেন্ট পিটিশন নং-৫৩০/২০২৫ ইং।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৪৩২ বাংলা সনে ৩ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হন ইয়াকবীর হোসেন আফিন্দি। সঠিক সময়ে ইজারা মুল্য পরিশোধ করার পরও দুর্লভপুর নৌকাঘাট বুঝিয়ে দেয়নি ইউএনও জামালগঞ্জ।
এদিকে ইজারাদার নৌকাঘাটের দখল না পেয়ে ইয়াকবীর হোসেন আফিন্দি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করলে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে এ আদেশ দেন।
ইজারাদার ইয়াকবীর আফিন্দি বলেন, দূর্লভপুর নৌকাঘাটের এক বছর মেয়াদে তিন কোটি বাষটি লক্ষ পঞ্চম হাজার টাকা ইজারা মূল্যে সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হই। মহামান্য হাইকোর্টের দায়েরকৃত পিটিশন নং ৫৬৩৭/২৫ আদেশ মোতাবেক গত ৭ মে’২৫ সমূদয় ইজারা মূল্য পরিশোধ করার পরও নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে নৌকাঘাটের দখলনামা সমঝিয়ে দেননি। কি কারণে দখলনামা সমঝিয়ে দেননি তার কারণও জানতে পারিনি। অফিশিয়াল কোন সমস্যা আছে কি না তাও লিখিতভাবে জানানো হয়নি। এক বছরের জন্য ইজারা চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দখল না দেওয়ায় দখল পাওয়ার জন্য আমি মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১৩১৪৪/২০২৫ ইং দায়ের করি। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ২৪/৮/২৫ইং তারিখে শুনানীঅন্তে দখল হস্তান্তরের দিন থেকে কেন এক বছরের জন্য দখল দেওয়া হবে না রুল নিশি জারী করেন এবং ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে দখল দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। স্পেশাল ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের কপি জারী করা হলেও জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোন প্রদক্ষেপ গ্রহন করেননি।
তিনি আরো বলেন, উপজেলা প্রশাসন দখলনামা দেই দিচ্ছি বলে সময় ক্ষেপন করেছে। পরে আদালতে রিট করার পর আমাকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য দীর্ঘ পাঁচ মাস পর অথাৎ পহেলা বৈশাখে দখলনামা দেওয়ার কথা বলেন তফসিলদার। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আশা করি ন্যায় বিচার পাবো।
জামালগঞ্জ উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর বলেন, উচ্চ আদালতের রিটের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাকে দখলনামা নেওয়ার জন্য বলেছি, কিন্তু উনি দখলনামা নেননি। উচ্চ আদালতের কোন ম্যাসেজ আমি পাইনি।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host