ক্ষুদ্র মেরামতের ১২ লাখ টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, ৫ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ
কাজ না করেই টাকা তোলার চেষ্টা, জগন্নাথপুরে ৯ প্রধান শিক্ষককে শোকজ

প্রকাশিত: 12:18 AM, September 7, 2026

<span style='color:#077D05;font-size:19px;'>ক্ষুদ্র মেরামতের ১২ লাখ টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, ৫ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ</span> <br/> কাজ না করেই টাকা তোলার চেষ্টা, জগন্নাথপুরে ৯ প্রধান শিক্ষককে শোকজ

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামতের কাজ সম্পন্ন না করেই বরাদ্দের টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। কাজ না করেই অসম্পূর্ণ ভাউচার দাখিলের বিষয়টি তদারকিতে উঠে আসার পর অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ৯ প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

শোকজপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলো হলো—আশারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুবাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাড়গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিঘলবাক (খ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মক্রমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গণেশ্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিরপুর মহল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মোহাম্মদপুর সেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসব বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত কাজের জন্য মোট ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরাদ্দের অর্থ দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সংস্কার ও মেরামত কাজ সম্পন্ন করার কথা।

তবে অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন না করেই বরাদ্দের অর্থ উত্তোলনের জন্য ভাউচার দাখিল করা হয়। বিষয়টি নিয়ে তদারকি ও যাচাই-বাছাইয়ের পর অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শোকজের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

গত ৩ সেপ্টেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর আলম স্বাক্ষরিত পৃথক নোটিশে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকদের আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুবাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিপেশ দাস ও মক্রমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরজ্জন বর্মন। তাদের দাবি, বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজ শেষ করার পরই তারা ভাউচার জমা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর আলম বলেন, সরকারি বরাদ্দের স্বচ্ছতা রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। কাজ না করেই অফিসে ভাউচার জমা দেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে শোকজের সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর