ঢাকা ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:১৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২০
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : বানিয়াচং গ্রামটি এখন দিন দিন শহরে রূপান্তরিত হচ্ছে। বদলে গেছে দৃশ্যপট। তৈরী হচ্ছে বিশাল বিশাল ইটপাথরের দালান ও মার্কেট। হয়েছে শতাধিক পিচ ঢালাই রাস্তা-ঘাট। নির্মিত হয়েছে অগনিত ব্রীজ কালভার্ট। গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলে গেছে বিদ্যুৎ। বানিয়াচংয়ে নেই সেই ধুলোমাখা মেঠোপথ। ঘোড়ার পায়ের ঝন ঝন আওয়াজ। নেই নৌকা মাঝির বহর। তাই বানিয়াচং এখন শহর।
এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম খ্যাত বানিয়াচং এখন আর নেই আগেরমতো। উন্নয়নের ছুয়ায় আরো সুন্দর এবং হয়েছে আধুনিক। ৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে ঘটিত বানিয়াচং সদরকে ঘীরে রেখেছে হাওর বেষ্টিত বাকী ১১ টি ইউনিয়ন।
বানিয়াচং সদরকে দেখলে মনে হয় এ যেন এক টুকরো স্বপেśর শহর। হাটবাজারসহ বিশাল আয়তনের সড়কগুলো ও বড় বড় শপিং মার্কেট এরই প্রমাণ। জমির আলী মার্কেট, শাহজালাল মার্কেটসহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অগনিত বিলাস বহুল মার্কেট। এখন আর কোন পন্য ক্রয়ে যেতে হয় না হবিগঞ্জ জেলা শহরে। বস্ত্র বিপনিসহ যাবতীয় পন্য মিলছে বানিয়াচংয়ে। স্কুল কলেজ,মাদ্রসাসহ বিভিন্ন নশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন বহুতল ভবন।
স্বাস্থ্যখাতেও হয়েছে বিপুল উন্নয়ন। হাসপাতালকে ৫০ সয্যায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। নিয়োগ দেয়া হয়েছে অসংখ্য ডাক্তার। রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। ঐতিহ্যবাহী সাগর দিঘী, লক্ষীবাওর জলাবনসহ অসংখ্য প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন দেখতে প্রতিদিন ছুটে আসছেন দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটক।
একসময় বানিয়াচংয়ের সড়কগুলোর এমন অবস্থা ছিল, যার কারনে বানিয়াচংকে দুর্গম এলাকা বলা হত। কালের পরিক্রমায় আজ সবদিকেই বানিয়াচং সমৃদ্ধ। আর ওই সকল উন্নয়ন হয়েছে ৩ বারের এমপি আব্দুল মজিদ খানের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায়।
তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি আর নতুন করে কি বলব। ১০ বছর আগের বানিয়াচং আর বর্তমানের বানিয়াচংয়ে যাচাই করে দেখলেই সকল প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে। তিনি আরও জানান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগীতা কামনা করি।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host