সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস
শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশিত: ৭:০৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২৬

<span style='color:#077D05;font-size:19px;'>সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস</span> <br/> শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিপর্যস্ত জনজীবন

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় এ তাপমাত্রা রেকর্ড করে শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। টানা শীত ও হিমেল হাওয়ায় জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান জানান, গতকাল বুধবার শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চলতি মাসে তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও গত কয়েক দিন ধরে তা দ্রুত কমছে। তাঁর মতে, তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন হাওর ও চা বাগান এলাকার মানুষ। শিশু ও বৃদ্ধরা ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন। দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষদের মধ্যে অনেকেই প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে রাত কাটাচ্ছেন আগুন পোহাতে পোহাতে। বিভিন্ন স্থানে খড় ও কাঠ জ্বালিয়ে শীত নিবারণের দৃশ্য দেখা গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসনিম বলেন, প্রতিদিন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।

কৃষকদের আশঙ্কা, ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় বোরো ধানের বীজতলা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। পাশাপাশি গৃহপালিত পশু-পাখিও শীতে কাবু হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অন্যান্য বছর শীতের শুরুতেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ শুরু হলেও এ বছর এখনো তেমন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। এতে করে দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি নেমেছিল মাত্র ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এছাড়া ১৯৬৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ৩.৩ ডিগ্রি, ২০০৩ সালের ২৩ জানুয়ারি ৫ ডিগ্রি, ২০০৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ৫.২ ডিগ্রি, ১৯৯৫ সালের ৪ জানুয়ারি ও ২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর