ঢাকা ২রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:০৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০২৬
তৌফিকুর রহমান তাহের, সুনামগঞ্জ
শাল্লায় হাওরপাড়ে গত কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণ থেকে হাওরগুলোতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। দিগন্ত বিস্তৃত ফসল এখন পানির নিচে। এই অকাল বন্যায় কেবল জমি নয়, তলিয়ে যাচ্ছে হাওরপাড়ের হাজারো প্রান্তিক মানুষের শেষ সম্বল আর আগামীর রঙিন স্বপ্ন।
বর্তমান পরিস্থিতি চারদিকে শুধু থৈ থৈ জল
টানা অতি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনের অব্যবস্থার কারণে তলিয়ে যেতে পারে খোয়ারহাওর লম্বাবিল, সোনারতলা, ছায়ার হাওর পিংগার হাওরসহ আরো কয়েকটি বড়বড় হাওর। স্থানীয় কৃষকদের মতে, ধান এখনও কাচা আরো ১৫/২০ দিন সময় পেলে তারা ফসল ঘরে তুলতে পারতেন। কিন্তু প্রকৃতির এই আকস্মিক রুদ্রমূপে এখন মাঠের সোনালী ধান পানির নিচে পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সুনামগঞ্জ, দিরাই শাল্লার হাওরপাড় এলাকার হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি নিমজ্জিত।
হাওরপাড়ের মানুষের কাছে একটি ফসলই সারা বছরের বেঁচে থাকার অবলম্বন। এই ধান বিক্রি করেই তারা ছেলেমেয়ের পড়াশোনা, বিয়ে, আর ঋণের টাকা পরিশোধের পরিকল্পনা করেন। জলাবদ্ধতার কারণে সেই স্বপ্ন এখন ফিকে হয়ে আসছে।
সারা বছর ধার-দেনা করে জমি চাষ করেছি। ভেবেছিলাম এবার ধান বেচে ঋণ শোধ করব। কিন্তু চোখের সামনে সব পানি খেয়ে নিতে আসছে এমনি শঙ্কা, কৃষকের মনে।এখন পরিবার নিয়ে বাঁচব কী করে?
জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন :
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং কৃষকরা দ্রুত পানি নিষ্কাশন এবং সরকারি সাহায্যের দাবি জানিয়েছেন। কৃষি বিভাগ থেকে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ শুরু জানালেন কৃষি কর্মকর্তা।
হাওরের এই কান্না আজ শুধু কৃষকের একার নয়; এটি জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার জন্যও একটি সতর্কবার্তা। প্রকৃতির এই প্রতিকূলতায় প্রশাসন ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা জরুরি, যাতে হাওরপাড়ের মানুষগুলো আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পায়।১নং আটগাঁও ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নোমান বলেন,অতিশীঘ্রই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্হার করার জন্য চেষ্টা করবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন,আপনারা চেয়ারম্যান সাথে যোগাযোগ করুন।অবশ্যই আমি আপনাদের পাশে আছি।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host