সদর দক্ষিণ নাগরিক কমিটি, সিলেট-এর জোর দাবি
‘সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়’র নির্মাণকাজ অবিলম্বে শুরু করুন

প্রকাশিত: ১০:৩২ অপরাহ্ণ, মে ৩১, ২০২৬

<span style='color:#077D05;font-size:19px;'>সদর দক্ষিণ নাগরিক কমিটি, সিলেট-এর জোর দাবি</span> <br/> ‘সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়’র নির্মাণকাজ অবিলম্বে শুরু করুন

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের প্রান্তে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে নির্মাণাধীন ‘সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়’র নির্মাণকাজ অবিলম্বে শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছে ‘সদর দক্ষিণ নাগরিক কমিটি, সিলেট’। গত ৩০ মে শনিবার রাতে নগরির স্টেশন রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সদর দক্ষিণ তথা দক্ষিণ সুরমা এলাকার ন্যায়সংগত দাবি আদায় ও সুষম উন্নয়ন তরান্বিত করার লক্ষ্যে গঠিত অরাজনৈতিক সংগঠন ‘সদর দক্ষিণ নাগরিক কমিটি, সিলেট’র সাধারণ সভার এক প্রস্তাবে এ দাবি জানানো হয়।

গৃহিত প্রস্তাবে বলা হয়, ‘সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়’র জন্য অধিগ্রহণকৃত ভূমি জেলা প্রশাসন বেশ কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অজুহাতে এর নির্মাণকাজ শুরু করা হচ্ছে না। যা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রস্তাবে যত দ্রুত সম্ভব ‘সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়’র নির্মাণকাজ শুরু করে জনমনে সৃষ্ট সংশয় দূর করার আহবান জানানো হয়। এ ব্যাপারে সিলেট-১ আসনের এমপি ও সরকারের সিনিয়র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং সিলেট-৩ আসনের এমপি মোঃ আব্দুল মালিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

সভার অপর এক প্রস্তাবে দক্ষিণ সুরমা উপজেলাসহ সুরমা নদীর দক্ষিণ পাড়ের জনপদের পানি নিস্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং সুগম করার লক্ষ্যে এলাকার প্রত্যেকটি নদ-নদী, খাল-নালা-বিল বা উন্মুক্ত জলাশয় সংস্কারে উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়। পলি পড়ে ভরাট এবং ভূমিখেকো চক্রের জবরদখলের কারণে ক্ষীণ হয়ে যাওয়া বা বিলুপ্ত জলপথ ও নদী-খাল উদ্ধার করে পুনঃখনন না করলে এই জনপদের বাসিন্দারা দূর্ভোগকবলিত হয়ে পড়বেন।

সভায় অন্য এক প্রস্তাবে বলা হয়, নির্মীয়মান সিলেট-ঢাকা ৬ লাইন হাইওয়ের নির্মাণকাজ ধীরগতিতে চলার কারণে যাত্রী সাধারণকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় রেখে হাইওয়ের নির্মাণকাজ দ্রুততর করার আহবান জানানো হয়।

সভায় আরো এক প্রস্তাবে সিলেট-ঢাকা রেললাইন উন্নয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই সরকারে নেয়া ডুয়েল গেজে রূপান্তরের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয়, শুধু ডুয়েল গেজে রূপান্তরে সিলেট বিভাগের যাত্রী সাধারণের সমস্যার সমাধান হবে না। তাই জনস্বার্থে সিলেট-ঢাকা রেললাইনকে ডাবল লাইনে উন্নীত করার দাবি জানানো হয়।

দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাকালীন অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল আহাদ। প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য সচিব সাংবাদিক চঞ্চল মাহমুদ ফুলর-এর পরিচালনায় শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠাতাকালীন অন্যতম সদস্য জাহাঙ্গীর খান। আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের সদস্য হাজী ফরিদুর রহমান, আব্দুল মালেক তালুকদার, নুরুল ইসলাম সুমন, শেখ মোঃ লায়েক মিয়া, মোঃ ছয়েফ খান, মোঃ ফখরুল হাসান, সাংবাদিক মোঃ সানোয়ার আলী, মোঃ খলিল মিয়া, তনজুল আহমদ চিশতি, মোঃ রাজু আহমদ, শ্রমিক নেতা জমির হোসেন, আব্দুস সামাদ রুবেল, মোঃ বাবর মিয়া প্রমুখ। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন সিনিয়র সদস্য দিলোয়ার হোসেন রানা।

সভার সাংগঠনিক প্রস্তাবে প্রতিষ্ঠাতাকালীন অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল আহাদকে আহবায়ক ও প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য সচিব সাংবাদিক চঞ্চল মাহমুদ ফুলরকে সদস্য সচিব এবং উপস্থিত সকলকে সদস্য করে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে এই আহবায়ক কমিটিতে আরো নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নবগঠিত আহবায়ক কমিটির পরবর্তী সভা আগামী ১৩ জুন শনিবার বাদ মাগরিব একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সকল সদস্যকে অংশ নেয়ার জন্য সভার পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর