ঢাকা |
প্রকাশিত: 9:27 PM, September 23, 2026
এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল ও গাফিলতির অভিযোগে যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১ হাজার ৬৮৪ জন প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষককে আগামী দুই বছর পাবলিক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
পরীক্ষকদের মূল্যায়নে ভুলের কারণে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের পর ২ হাজার ৪৩৬ জন শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে মূল ফলাফলে অকৃতকার্য ৩৮০ জন শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের পর উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়া ১ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৫২ জন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পরীক্ষার ফল নির্ভুলভাবে প্রকাশের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি বা ভুলের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার মূল ফলাফল গত ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের পরদিন থেকে সাত দিন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হয়। এ সময় ২৮ হাজার ৮৬২ জন শিক্ষার্থী মোট ৭৪ হাজার ৭১৭টি পত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে।
পুনর্নিরীক্ষণের ফল বিশ্লেষণ করে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আসে। এরপর খাতা মূল্যায়নে ভুল বা গাফিলতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে ১ হাজার ৬৮৪ জন প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষককে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব পরীক্ষককে আগামী দুই বছর এসএসসি বা অন্য কোনো পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হবে না। তবে শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে ফেল থেকে পাস ও গ্রেড পরিবর্তনের ঘটনা শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের নির্ভুলতা নিশ্চিত করার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এনেছে।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host