আহমদ উল্লা ও ফাতেমা খাতুন ওয়াকফ এস্টেটকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবি

প্রকাশিত: 7:18 PM, December 31, 2019

আহমদ উল্লা ও ফাতেমা খাতুন ওয়াকফ এস্টেটকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবি

ডেস্ক প্রতিবেদন : সিলেটের আহমদ উল্লা ও ফাতেমা খাতুন ওয়াকফ এস্টেটকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবি জানিয়েছেন আহমদ উল্লাহর নাতনি রেহানা বেগম। তিনি বলেছেন, তার দাদা আহমদ উল্লাহ ১৯৩৫ সালে সিলেট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের মাধ্যমে এ এস্টেট সৃষ্টি করেছিলেন, যা যথারিতী কার্যক্রম চলমানও আছে। তবে ২০১৪ সালে তার ভাই আবু জাফর আফজল হোসেন এস্টেটের মোতাওয়াল্লী থাকাকালীন সময়েই তাদের মতামত না নিয়েই তাদের বংশের বাহিরের জনৈক মুরাদুর রহমানকে দুই বছরের জন্য এই ওয়াকফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লী নিয়োগ করা হয়। এরপর থেকেই নানাভাবে তিনি ওয়াকফ এস্টেটের অর্থ আত্মসাৎসহ এস্টেট ধ্বংস করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য এস্টেটকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে তার অপসারণ দাবি করেন তিনি।
মঙ্গলবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি করেন রেহানা বেগম। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে মোতাওয়াল্লী হন মুরাদুর রহমান। ২০১৬ সালে ফের ৩ বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে ওয়াকফ প্রশাসক বরাবরে তারা অভিযোগও করেন। এরপর ওয়াক্ফ প্রশাসক ১০/১২/১৭ তারিখে তদন্তপূর্বক ওয়াক্ফ পরিদর্শন করে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করতে বলা হলে মুরাদ ৬ মাসের সময় চেয়ে উল্টো আবেদন করে বসে। কিন্ত ওয়াক্ফ পরিদর্শক মুরাদুর রহমানের আবেদন নাকচ করে গত ০৬/১১/১৭ তদন্তের দিনধার্য করেন। এরপর মুরাদ আমার (রেহানা) ও আমার ভাই নসরের নাম ব্যবহার ও স্বাক্ষর জাল করে আমরা নিয়মিত ভাতা পাচ্ছি বলে ওয়াকফ প্রশাসক কার্যালয়ে দাখিল করে।’
তিনি বলেন, ‘মুরাদুর রহমান জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন। তার এসব জালিয়াতির বিষয় একাধিকবার ধরাও পড়েছে। কিন্তু আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি। যে কারণে সে এখনও মোতাওয়াল্লী পদে বহাল রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, মুরাদুর রহমান একজন জাল-জালিয়াত প্রকৃতির লোক। প্রতারণাপূর্বক মিথ্যা ও অসাধু পথ অবলম্বনক্রমে সে প্রতিনিয়ত ওয়াক্ফ এস্টেটের অপরাপর সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত করেই যাচ্ছে এবং ওয়াক্ফ প্রশাসকের কার্যালয়ে জাল কাগজাধির মাধ্যমে প্রতারণা করছে। এই অবস্থা থেকে উত্তোলনের জন্য ওয়াক্ফ এস্টেটকে ধংসের হাত থেকে রক্ষার স্বার্থে যথাযথভাবে মুরাদুর রহমানকে মোতওয়াল্লী পদ থেকে অপসারন করে সরকারী কর্মকর্তাকে মোতওয়াল্লী হিসাবে নিয়োগ প্রদান করে ও সরকারী কার্যালয়ে জাল কাগজাদি প্রদানের জন্য তাকে শাস্তি প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর