ঢাকা |
প্রকাশিত: 7:47 PM, September 25, 2026
এম এস সিদ্দিকী, গোয়াইনঘাটঃ
সিলেটের গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার দমদমা – তুরুং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানে নিয়ন্ত্রণে নানা উদ্যোগ থাকলেও থামছে না ভারতীয় অবৈধ পণ্য প্রবেশের অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি,সীমান্তের চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে প্রভাবশালী দুই ব্যক্তির নাম বার বার আলোচনায় আসছে- ইমরান হোসেন ওরফে কালা এবং আবু সাঈদ।
স্থানীয়দের অভিযোগ,এই দুই লাইনম্যান এর ছত্রছায়ায় দমদমা ও তুরুং সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে মাদক, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও ভারতীয় গরুসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।এলাকায় তারা দুজন বিজিবির লাইনম্যান হিসেবে পরিচিত এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে আরও কয়েকজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান,বিজিবির নাম ভাঙ্গিয়ে ভারতীয় গরু পারাপারের ক্ষেত্রে গরুপ্রতি এক হাজার টাকা করে আদায় করা হয়।সীমান্ত দিয়ে গরু পারাপারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের কাছ থেকেও এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে দাবি তাদের।
অভিযোগ রয়েছে, ইমরান হোসেন কালা ও আবু সাঈদের বিরুদ্ধে মাদক ও চোরাচালান সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি তাদের বিরুদ্ধে অন্তত এক ডজন মামলা রয়েছে। তবুও থেমে নেই তাদের চোরাচালানি কর্মকাণ্ড।এদিকে দমদমীয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু চোরাচালানের সময় বিজিবির ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায়ও পরোয়ানা ভূক্ত আসামি হলেও প্রকাশ্যে দিবালোকেও ঘুরছে।যদিও ইমরান হোসেন কালা বৃহস্পতিবার বিজ্ঞ আদালতে সেলেন্ডার করলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠায়। যদিও কালা এখন জেলে থাকায় লাইনের নিয়ন্ত্রক এখন আবু সাঈদ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মামলা ও অভিযোগ থাকার পরও সীমান্ত এলাকায় তাদের দাপট কমেনি। বরং দীর্ঘদিন ধরে তারা সীমান্তকেন্দ্রিক একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে তুলেছেন। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে মামলা – হামলার ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে লাইনমেন আবু সাঈদ বলেন,সীমান্তে চোরাচালানের সাথে জড়িত নাই। এমনিতেই মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দমদমা (বিওপি র )দায়িত্বরত নায়েব সুবেদারের মুঠোফোন একাধিক বার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host