ঢাকা ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:২২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০১৯
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা
২০১২ সালের ১৪ অক্টোবর সুনামগঞ্জে ১১ বছর বয়সী ছেলেকে হত্যার পর শৌচাগারের ট্যাংকে ফেলে দেওয়া সেই মায়ের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমিকেরও মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।
তাদের দুজনকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের বারিক মিয়া ও সিতারা বেগম। রায় ঘোষণার সময় বারিক মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সিতারা বেগম পলাতক আছেন। আরেক আসামি শিশু হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে বিচারাধীন আছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, চিতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম সৌদিপ্রবাসী। তাঁর স্ত্রী সিতারা বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী বারিক মিয়ার অবৈধ সম্পর্ক ছিল। বারিক মিয়া রফিকুলের চাচাতো ভাই। বিষয়টি জানাজানি হলে রফিকুল ইসলাম দেশে এসে স্ত্রীকে এসব থেকে বিরত থাকতে বলেন। এরপর তিনি সৌদি আরবে চলে যাওয়ার পর সিতারা বেগম আবার বারিক মিয়ার সঙ্গে মেলামেশা শুরু করেন।
বিষয়টি সিতারা বেগমের ১১ বছর বয়সী ছেলে সোয়াইবুর রহমান বাবাকে জানিয়ে দেবে বলে মাকে জানায়। তখন বারিক ও সিতারা সোয়াইবুরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ২০১২ সালের ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে তাকে হত্যা করে শৌচাগারের ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার পরের দিন নিহতের চাচাতো ভাই হামজা মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১৫ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host