গোয়াইনঘাটে নৌকা শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে সভাপতি আলিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পুলিশের লাইনের নামে প্রতি বডি থেকে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ, শ্রমিক-ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ

প্রকাশিত: 9:55 PM, August 13, 2026

গোয়াইনঘাটে নৌকা শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে সভাপতি আলিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পুলিশের লাইনের নামে প্রতি বডি থেকে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ, শ্রমিক-ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাটে নৌকা শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে পুলিশের লাইনের কথা বলে প্রতি নৌকা বা বডি থেকে ৫ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে সংগঠনটির সভাপতি আলিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় নৌকা শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নৌকা শ্রমিকদের সংগঠনের ব্যানারকে ব্যবহার করে বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। তাদের দাবি, পুলিশের লাইনের নামে প্রতি বডি থেকে ৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ চাঁদা হিসেবে আদায় করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন শ্রমিক ও ব্যবসায়ী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শ্রমিক ও ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, মারধর এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। এতে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কাছে অনেকটা জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে তাদের অভিযোগ।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যকে ম্যানেজ করার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পুলিশের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, নৌযান মালিকদের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকেও অতীতে আলিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে আন্দোলন কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রতিবাদ ও আন্দোলনের পরও চাঁদা আদায় বন্ধ হয়নি।
স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা বলেন, “আমরা চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশে কাজ করতে চাই। কোনো সংগঠনের নাম ব্যবহার করে জোরপূর্বক অর্থ আদায় বন্ধ করতে হবে।” তারা বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা উদঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হকের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং শ্রমিক-ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর