সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
সিলেটের হাইটেক পার্ক চালু হলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি হবে

প্রকাশিত: ৮:১৮ অপরাহ্ণ, মে ২, ২০২৬

<span style='color:#077D05;font-size:19px;'>সিলেটে প্রধানমন্ত্রী</span> <br/> সিলেটের হাইটেক পার্ক চালু হলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি হবে

বিজয়ের কণ্ঠ ডেস্ক
সিলেটের হাইটেক পার্কটি দ্রুত সচল করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সিলেটে একটি আইটি পার্ক স্থাপিত হলেও এটি এখনো পুরোপুরি সচল হয়নি। এই আইটি পার্কটি দ্রুত চালু করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই আইটি পার্কটি পুরোপুরি চালু করা হবে।

হাইটেক পার্ক চালু হলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেটে অনেক তরুণ আছেন যারা ফ্রিল্যান্সিং, ডেটা প্রসেসিং ও আইটির বিভিন্ন কাজে যুক্ত। কিন্তু পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে তারা তাদের মেধা ও দক্ষতার পূর্ণ ব্যবহার করতে পারছেন না। আইটি পার্কটি সচল হলে এই তরুণরা সেখানে কাজ করার সুযোগ পাবেন এবং তাদের আয় বৃদ্ধির পথ তৈরি হবে।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট আধুনিকায়ন ও উন্নত করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতার মানুষদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর ফলে একদিকে যেমন দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে বিদেশেও দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার গঠনের অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। একটি শিশু যেমন জন্মের পরপরই হাঁটতে পারে না, তেমনি সরকারও সময় নিয়ে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বলেন তিনি।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টার দিকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী পরে সেখান থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন তিনি।

সেখান থেকে সকাল ১১টায় নগরের চাঁদনীঘাট এলাকায় সুরমা নদীর পার উন্নয়নে সিলেট সিটি করপোরেশনের চার হাজার ৬৩৬ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, হুইপ জি কে গউছ এবং সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুর ১২টায় সদর উপজেলার কান্দিগাঁওয়ে বাসিয়া নদী পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করবেন। বিকেল ৫টায় সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় সভায় যোগ দেবেন। দিনের সফর শেষে সন্ধ্যা ৭টায় বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর