আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক
আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)

প্রকাশিত: 10:54 PM, August 26, 2026

<span style='color:#077D05;font-size:19px;'>আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক</span> <br/> আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)

ডেস্ক নিউজঃ

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই পৃথিবীতে আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে আখেরি জামানার নবী হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করতে পারলেই আমরা প্রকৃত অর্থে তাঁর উম্মত হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারব।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ আমাদের জন্য সর্বোত্তম পথনির্দেশনা। তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন অতিবাহিত করার তৌফিকের জন্য আমাদের মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে হবে।

প্রশাসক বলেন, ইসলামে জ্ঞান অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় সিলেট নগরীর পশ্চিমাংশের একটি প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা খাতে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনের তুলনায় তা অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হয়।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সীমিত নিজস্ব আয় ও নানা আর্থিক সংকটের মধ্যেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে নগরের রাস্তাঘাট, ড্রেন, কালভার্ট ও আলোকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সড়কসংলগ্ন সীমানাপ্রাচীর ও গেটের বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। এটি দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্ধারণ করে জানালে পর্যায়ক্রমে সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ও হলরুমসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মুকিত জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক খাঁন রাজা ও টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান শফিক।

এ সময় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন সহকারী পরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম, সহকারী প্রধান শিক্ষক শামছুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য মো. নূর কাশেম, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. ফয়জুল হক, মো. আফসর খান, ইমদান হোসেন রিপন, আজিজ খান সজিব, আব্দুর রাজ্জাক রাজন, জাবেদ আহমদ, শাহীন আহমদ, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র শিক্ষক ইকবাল হোসেন আকন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক সৈয়দ মোহাম্মদ আদনান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর