নদীভাঙন রোধে বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে
মীরেরচকে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক

প্রকাশিত: 6:19 PM, September 9, 2026

<span style='color:#077D05;font-size:19px;'>নদীভাঙন রোধে বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে</span> <br/> মীরেরচকে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিলেট নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মীরেরচকে নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিনি মীরেরচকের নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় এলাকাবাসী তাঁকে ভাঙনকবলিত স্থানগুলো ঘুরিয়ে দেখান। তারা জানান, দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এলাকার অনেক পরিবার সর্বস্বান্ত হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় তারা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সিসিক প্রশাসকের কাছে অনুরোধ জানান।

পরিদর্শনকালে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বন্যা, জলাবদ্ধতা ও নদীভাঙন মোকাবিলায় ইতোমধ্যে বড় একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় শহররক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, সিলেটের মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা, জলাবদ্ধতা ও নদীভাঙনের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙন ঠেকালেই হবে না; ভবিষ্যতে যাতে এসব সমস্যা মানুষের জীবন ও সম্পদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে না পারে, সে বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।এ বিষয়টি মাথায় রেখে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়ক, ড্রেনসহ অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ১৫ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। নগরীর অন্যান্য এলাকার মতো মীরেরচকসহ অনুন্নত এলাকাগুলোকেও পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হবে।

মীরেরচকে সড়ক নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, নগরীর মানসম্মত সড়কব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এখানে সড়ক নির্মাণ করতে হলে সড়কের উভয় পাশে বসবাসকারী ও ভূমির মালিকদের জনস্বার্থে কিছু জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। সম্মিলিত সহযোগিতা ছাড়া একটি পরিকল্পিত ও প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, সড়ক নির্মাণ ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন হলে মীরেরচকের সার্বিক চিত্র বদলে যাবে। এলাকার উন্নয়ন হলে জমির মূল্যও বাড়বে। তাই বৃহত্তর জনস্বার্থে কিছু জায়গা ছেড়ে দিলেও তা শেষ পর্যন্ত এলাকাবাসীর জন্যই সুফল বয়ে আনবে।

পরে সিসিক প্রশাসক ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বৃহত্তর মীরেরচক এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

এর আগে তিনি জামেয়া আ’লীমুস সুন্নাহ মাদ্রাসা ও মুরাদপুর এলাকায় সড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর