ঢাকা ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৫৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২৬
দীর্ঘ প্রায় চার মাসের সামরিক সংঘাতের অবসান ঘটাতে অবশেষে একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকে (MoU) স্বাক্ষর করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যস্থতায় হওয়া এই চুক্তিটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। এই চুক্তির ফলে ইরান গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় উন্মুক্ত করার এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরে তাদের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে এবং এশিয়ার বড় শেয়ারবাজারগুলো রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থনৈতিক প্রতিবেদনসমূহ থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার এশিয়ার বাজারে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২.৩ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৭৭.৭৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের পরিস্থিতির তুলনায় তেলের এই দাম মাত্র ৭ শতাংশ বেশি। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদে জাপানের ‘নিক্কেই ২২৫’ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘কোসপি’ সূচক সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। তবে হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচকে ১.৭ শতাংশ পতন দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) মতে, এই সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতি তৈরি হচ্ছিল।
চুক্তি সই হলেও নৌ চলাচলে এখনো কিছু ব্যবহারিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হওয়ার জন্য প্রায় ৫০০টি জাহাজ অপেক্ষায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক জাহাজ মালিকদের সংগঠন ‘বিমকো’ (BIMCO) জানিয়েছে, চুক্তি হলেও নিরাপদ রুট ও সময়সূচির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের অভাব রয়েছে। মাইন বা ড্রোন হামলার আশঙ্কায় নাবিক ও জাহাজের নিরাপত্তা এখনো ঝুঁকিপূর্ণ বলে তারা মনে করে।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host