ঢাকা ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৪৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৭, ২০২৬
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। গর্ভবতী নারী, নবজাতক এবং নিম্নআয়ের পরিবারের কল্যাণে নানা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে নগরভবনের সভাকক্ষে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সিলেটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির টার্গেট ইন্ডিকেটর ৭.২ (বি) বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা-২০২৪’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাজনীন ফেরদাউস মজুমদারের সভাপতিত্বে এবং প্রোগ্রাম অফিসার শামছুন্নাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার মোছা. নাসিমা খাতুন এবং জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সিলেট ফিল্ড অফিসের প্রধান মো. মামুনুর রশীদ।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি দরিদ্র, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, একজন মা নিবন্ধনের পর নির্ধারিত সময় পর্যন্ত এ কর্মসূচির সুবিধা ভোগ করেন, যা পরিবারকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করে। আর্থিক সহায়তার পরিমাণ হয়তো খুব বেশি নয়, তবে সরকারের এই সহযোগিতা উপকারভোগীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পাশাপাশি মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচিতে নিবন্ধনের সংখ্যা এখনও আশানুরূপ নয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে চূড়ান্ত নিবন্ধনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এ অবস্থায় আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওয়ার্ড সচিব ও সুপারভাইজারদের ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও বেশি সংখ্যক উপকারভোগীকে কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এতে যেমন দরিদ্র পরিবারগুলো উপকৃত হবে, তেমনি সিলেট সিটি কর্পোরেশনও তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় পরিচালিত যেকোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশন সবসময় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পাশে থাকবে।
কর্মশালায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওয়ার্ড সচিব এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host