ঢাকা ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:৩২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০২৬
রুবেল আহমদ, কোম্পানীগঞ্জ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সুন্দাউরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়- প্রায় আট দশকের পুরোনো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠে বর্তমানে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চললেও নানামুখী অবকাঠামোগত সংকটে জর্জরিত বিদ্যালয়টি। এর মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সীমানা প্রাচীরের অভাব, যা প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে শিক্ষার্থীদের।
সরকারি সড়কের ঠিক পাশেই অবস্থিত বিদ্যালয়টির চারপাশে নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। ফলে বিদ্যালয়টির মাঠে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সময় দ্রুতগামী যানবাহনের সঙ্গে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় থাকেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। বিশেষ করে টিফিন বা খেলাধুলার সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সহজেই সড়কের দিকে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।
এছাড়া, সীমানা প্রাচীর না থাকায় প্রায়ই গরু-বাছুর মাঠে ঢুকে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত।সচেতন মহলের ধারণা, দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ না হলে ভবিষ্যতে জমির সীমানা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বিরোধও সৃষ্টি হতে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী হোসেন বলেন, ‘মাঠের চারপাশে আমরা কয়েকবার গাছ লাগানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু গরু-বাছুর এসে সেগুলো নষ্ট করে দিয়েছে। কিছু গাছ থাকলে শিক্ষার্থীরা ছায়ায় খেলাধুলা করতে পারত। বিগত সরকারের সময়ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য আবেদন করা হয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত অনেক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়টি অবহেলিত রয়ে গেছে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজল রায় বলেন, ‘আমাদের শ্রেণীকক্ষের জন্য নতুন একটি ভবন হলে ভাল হয়। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সীমানা প্রাচীর। এটি না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর রাখতে এবং শিশুদের সুরক্ষার জন্য দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা টিটু কুমার দে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host