ঢাকা |
প্রকাশিত: 3:48 PM, May 8, 2019
মোঃ ইসমাইল হুসাইন
প্রথম রোজা থেকেই জমজমাট সিলেটের ইফতার বাজার। তাতে স্থান পেয়েছে বাহারি সব খাবার। আর তার মধ্যেই দেখা গেল খিচুড়ি আর আখনি। সিলেটিদের ইফতার ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে এ দুটি খাবারের। আর যত খাবারই থাকুক না কেন, সিলেটিদের কাছে ইফতারের তৃপ্তি যেন লুকিয়ে থাকে এই দু’টি খাবারের মধ্যেই। তাই সিলেটের ইফতারের দোকানগুলোতেও বাকি সব খাবারের মধ্যে বিশেষ জায়গা দখল করে থাকে খিচুড়ি আর আখনী।
সিলেটে ইফতারির আরেকটি অনুষঙ্গ বাখরখানি। ইফতারের সময় কিংবা রাতে চায়ের সঙ্গে বাখরখানি খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। চার প্রকারের মিষ্টি ও ঝালজাতীয় বাখরখানি রয়েছে, যেগুলো সিলেট ছাড়া অন্য কোথাও মেলে না বলে জানালেন কয়েকজন বিক্রেতা। পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে ৪০ টাকা পর্যন্ত দাম একেকটি বাখরখানির।
কথা হয় সিলেটের পানশী রেস্টুরেন্টের পরিচালক আবু বক্করের সাথে। তিনি বিজয়ের কন্ঠ কে বলেন, ক্রেতাদের চাহিদার জন্যই খিচুড়ি আর আখনি রান্না করে থাকি। দুপুরের পর থেকে পার্সেল হিসেবে বিক্রি হতে থাকে এই দুই আইটেম। তাছাড়া, রেস্টুরেন্টে যারা ইফতার করে থাকেন, তাদের মেন্যুতেও থাকে আখনি-খিচুড়ি।
কেবল পানশীই নয়, ভোজনবাড়ি, পাচঁ ভাই, পালকি, সাম্পান, ব্রিকলেনসহ প্রায় সব রেস্টুরেন্টেই রোজার মাসে বিক্রির তালিকায় শীর্ষে আখনি, খিচুড়ি ও বাখরখানি।
সিলেটের দাসপাড়া এলাকার গৃহিণী মাহমুদা বলেন, ইফতারিতে সবসময়ই তাদের বাসায় রান্না হয় ‘নরম খিচুড়ি’। শুধু আমাদের বাসা নয়, অন্য সব বাসাতেও এটা রান্না হয়। এটা কেবল সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থ্যকরও। তাই এই খাবার খুব জনপ্রিয়।
এ ছাড়া, গরু কিংবা খাসির মাংসের আখনিও (তেহারি) সিলেটে অত্যন্ত জনপ্রিয় বলে জানান মাহমুদা। যুগ যুগ ধরে সিলেটিরা এই ইফতারে অভ্যস্ত থাকায় বিকল্প চিন্তা কোনো পরিবারেই থাকে না বলে জানান তিনি।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by Yellow Host