মৎস্যজীবীদের রুজি-রুটি বন্ধের অভিযোগ

প্রকাশিত: 1:05 PM, January 10, 2019

মৎস্যজীবীদের রুজি-রুটি বন্ধের অভিযোগ

অবৈধ জেলেদের আগ্রাসনে বৈধ কার্ডধারী জেলেরা স্বাভাবিকভাবে মাছ শিকার করতে পারছেন না। তাছাড়া সুরমা নদীর ৬/১ খন্ডে জবর দখলসহ গোয়ালী ছড়ার মুখ থেকে হেতিমগঞ্জ বারণী খালের মুখ পর্যন্ত নদীতে বাঁশ দিয়ে ঘের তৈরি করে অবৈধভাবে মৎস্য শিকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরিত এক স্মাকলিকলিপিতে এমন অভিযোগ করেন বৈধ কার্ডধারী জেলেরা। বৈধ মৎস্যজীবীদের পে স্মারকলিপিতে স্বার করেন কুশিয়াঘাট নোয়াবস্তির মো. লাল মিয়া। মৎস্যজীবীরা মিছিল সহকারে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এসে অবস্থান নেন।

মৎস্যজীবীদের প্রেরিত স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় দণি সুরমার কুচাই গ্রামের জায়েদ মিয়া, কদমতলীর কবির মিয়া ও মেন্দিবাগের মজলু মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে সুরমা নদীতে অবৈধ এবং ইজারাবিহীনভাবে বাঁশ দিয়ে ঘের তৈরি করে মাছ শিকার করে যাচ্ছেন। যে কারণে বৈধ মৎস্যজীবীদের ৫’শ টি পরিবার বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অর্থনৈতিক সমস্যায় ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠানো পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এসব সমস্যার প্রতিকার চেয়ে ইতোমধ্যে মৎস্যজীবীরা সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসক বরাবরে একাধিক অভিযোগ দাখিল করেছেন। কিন্তু তাতেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায় নি। তাই যাতে বৈধ জেলেরা মাছ শিকার ও রণাবেণ করতে পারেন সে জন্য যথাযথ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান মৎস্যজীবীরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর